প্রকাশনা একটি শিল্প হলেও বাস্তবতায় অন্ত:সারশূন্য ও অলাভজনক। বাজার তৈরির কাজটা কার? সরকারের না প্রকাশকদের? আশ্চর্য এখনও আমরা মৌলিক কিছুর উত্তর খুঁজছি। ১৯৮০/৮২ সালে প্রতি টাইটেল বই ছাপা হতো ১২৫০-২২৫০ কপি আর এখন ছাপে মাত্র ৩০০-৫০০ কপি। বেশী কমিশনেও বই বিক্রি করতে পারেনা সৃজনশীল প্রকাশকরা, কেন? সৃজনশীল বই মার খা”েছ নোট ও একাডেমিক বইয়ের কাছে। এক কাজের জন্য দুটো সমিতির দরকার নাই, তাছাড়া সমস্ত/পক্ষই প্রাচীনতম সমিতি বাপুসের সদস্য। আন্তর্জাতিক প্রকাশকদের সম্মিলিত গোপন প্রতিবেদনে বাংলাদেশের দুইটি প্রকাশক সমিতির পরস্পর বিরোধী অব¯’ান ও কার্য পরিচালনায় জাতীয় প্রগতি ও সার্থ বাধাগ্রস্ত’ হচ্ছে বলে মত দিচ্ছেন রাইট স্কাউট বৃন্দ। আইপিএ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ চঁনষরংযবৎং অংংড়পরধঃরড়হ এর বাংলাদেশ পূর্ন সদস্যপদ না পাওয়াই তার প্রমান। বই প্রকাশক, পুস্তক বিক্রেতা, লেখক, লাইব্রেরী ও পাঠক – সবাই পরষ্পরের চারিত্রিক উপাত্ত ও সহযোদ্ধা – দেশের বৃহতম সার্থে এক সাথে কাজ কর“ন। পরষ্পরের ওপর নিষেধাজ্ঞা, পক্ষপাত দুষ্ট এবং অন্যায় ভাবে অন্য সমিতির ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণের ফলে ব্যাপক দুর্নীতি প্রভাবিত হয় খুবই গোপনভাবে। একটাই পথ খোলা “একতা”।

বাংলাদেশের বই প্রকাশকদের ক্ষেত্রে দুঃখের বিষয়, প্রকাশকরা স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও বাংলা বই এর ওঝইঘ নম্বরগুলো সঠিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বা রেজিস্ট্রেশন তালিকা ভূক্তি করতে পারে নাই। তাই ইন্টারনেটএ ওঝইঘ নম্বর ইনপুট দিয়ে লেখক ও প্রকাশকের নাম, বইটির স্বত্তাধিকারী, প্রকাশকাল ও কোন ভাষায় বইটি প্রথম মূদ্রিত – কিছুই পাওয়া যায় না। তাছাড়া বাংলা বইয়ের কোনো তালিকাও নাই (মেটাডাটা) ও আমরা ভুয়া বারকোডে বই প্রকাশ করি, ফলে বিদেশীদের বাংলা বইয়ের কোনো তথ্যই পাওয়ার সুযোগ নাই। এটাই সুনির্দিষ্ট কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলা বইয়ের পরিচিতি না পাবার। তাছাড়া আর্কাইভ লাইব্রেরি আগারগাঁও থেকে নেয়া আপনাদের ওঝইঘ নম্বরগুলো সঠিকভাবে আন্তর্জাতিক ডাটায় তালিকাভুক্ত নয়। লেখক : প্রকাশক