Decrease font Enlarge font
 ঢাকা: প্রায় এক দশক আগে ভারতের মুম্বাইয়ের লোকাল ট্রেনে বোমা হামলার ঘটনায় ১৩ অভিযুক্তের মধ্যে ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। প্রমাণের অভাবে খালাস দেওয়া হয়েছে অপরজনকে। আগামী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দোষীদের সাজা ঘোষণা করা হবে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। গত বছরের আগস্ট মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়।
২০০৬ সালের জুলাইয়ে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে মুম্বাইয়ের একাধিক লোকাল ট্রেনে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সাতটি শক্তিশালী আরডিএক্স বোমার বিস্ফোরণে অন্তত ১৮৮ জন নিহত হয়। আহত হয় আটশ’ জনের বেশি।
হামলার পর তদন্তে নেমে জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের ২২ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা (এটিএস)। এদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে বিচার শুরু হয়। কিন্তু তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেজন্য ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে বছর দু’য়েকের জন্য বন্ধ থাকে ওই মামলার শুনানি। ফের তা চালু হয় ২০১০ সালে। বিচারপ্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত ১৩ জনকে অভিযুক্ত করা হলেও দোষী সাব্যস্ত হলেন ১২ জন। সাজা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা এ ১২ জন হলেন- কামাল আহমেদ আনসারি, তনভির আহমেদ আনসারি, মহম্মদ ফৈজল শেখ, এহতাশাম সিদ্দিকি, মহম্মদ মাজিদ শাফি, শেখ আলম শেখ, সোহেল মেহমুদ শেখ, জামির আহমেদ শেখ, নাভিদ হুসেন খান ও আসিফ খান। "/>

মুম্বাইয়ে ট্রেনে হামলা মামলায় ১২ জন দোষী সাব্যস্ত

11 September, 2015 : 11:05 am ১১৭
Decrease font Enlarge font
 ঢাকা: প্রায় এক দশক আগে ভারতের মুম্বাইয়ের লোকাল ট্রেনে বোমা হামলার ঘটনায় ১৩ অভিযুক্তের মধ্যে ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। প্রমাণের অভাবে খালাস দেওয়া হয়েছে অপরজনকে। আগামী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দোষীদের সাজা ঘোষণা করা হবে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। গত বছরের আগস্ট মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়।
২০০৬ সালের জুলাইয়ে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে মুম্বাইয়ের একাধিক লোকাল ট্রেনে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সাতটি শক্তিশালী আরডিএক্স বোমার বিস্ফোরণে অন্তত ১৮৮ জন নিহত হয়। আহত হয় আটশ’ জনের বেশি।

হামলার পর তদন্তে নেমে জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের ২২ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা (এটিএস)। এদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে বিচার শুরু হয়। কিন্তু তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেজন্য ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে বছর দু’য়েকের জন্য বন্ধ থাকে ওই মামলার শুনানি। ফের তা চালু হয় ২০১০ সালে।
বিচারপ্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত ১৩ জনকে অভিযুক্ত করা হলেও দোষী সাব্যস্ত হলেন ১২ জন। সাজা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা এ ১২ জন হলেন- কামাল আহমেদ আনসারি, তনভির আহমেদ আনসারি, মহম্মদ ফৈজল শেখ, এহতাশাম সিদ্দিকি, মহম্মদ মাজিদ শাফি, শেখ আলম শেখ, সোহেল মেহমুদ শেখ, জামির আহমেদ শেখ, নাভিদ হুসেন খান ও আসিফ খান।

[gs-fb-comments]