স্টাফ রিপোর্টার :

শিল্প সংস্কৃতি সহ ক্রীড়া চর্চায় শিশুরা ছোট বেলা থেকেই জড়িত থাকলে সামাজিক অস্থিরতা কমবে। তারা কোন বিপথগামী হবে না। আগামী দিনের প্রজন্মকে এখন থেকেই গড়ে তুলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ভাষা আন্দোলন সহ আমাদের দেশের সকল ইতিহাস শিশুদের জানাতে হবে। তারা সৎ মানুষ হবে যদি তাদের মনে এই শিল্প প্রবেশ করানো যায়। তবে তারা সামাজিক অবক্ষয়ের শিকার হবে না। মেধা বিকাশে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের ভূয়শী প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিশুদের জন্য বিশাল কাজ করে যাচ্ছে। যা আগামী দিনে শিল্পবোধ ও সুনাগরিক হিসেবে নতুন প্রজন্ম তৈরীতে ব্যাপক অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে অতীতের মতো আগামী দিনেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১২ সেপ্টেম্বর শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যম আয়োজিত আর এ কে সিরামিকস ২৪তম বার্ষিক শিশু চিত্রকলা প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ওই কথা বলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের সভাপতি মোঃ মাশুকুল ইসলাম মাশুকের সভাপতিত্বে ও বিতার্কিক আদিলের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের সম্পাদক সাংবাদিক নিয়াজ মোহাম্মদ খান বিটু। বক্তব্য রাখেন চারু শিল্পী দীপ্ত মোদক প্রমুখ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাষা সৈনিক ও প্রবীণ সাংবাদিক মুহম্মদ মুসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন জামি।

জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন সংবর্ধিত নারী মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষক তাহরিমা চৌধুরী শেলীর হাতে ক্রেষ্ট ও ফুলের তোড়া তুলে দেন। পরে তিনটি বিভাগের শ্রেষ্ঠ তিনজন যথাক্রমে ক বিভাগে আনাইরা ইশতি, খ বিভাগে ফারজানা সরকার সাথী ও গ বিভাগে অনিক কুমার দাস এবং এ বছরের উৎসব শ্রেষ্ঠ পুরস্কার গ্রহণ করে তৃষ্ণা দেবনাথ। আলোচনা শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংগীত বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা দলীয় ও একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সঙ্গীত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মনি সাহা, প্রদীপ পাল, শংকর সাহা, কামাল হোসেন, প্রণয়। এবারের উৎসবের সমাপনী দিনে প্রায় চার শতাধিক অংশগ্রহণকারীর মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।