স্টাফ রিপোর্টার :

সরাইলে অর্ধশতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী ও ২০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দিয়েছে ষ্টুডেন্ট ওয়েল ফেয়ার (এস ডব্লিউ এফ) নামক একটি সংগঠন। এ উপলক্ষ্যে শনিবার উপজেলার চুন্টা মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গনে (সেনবাড়িতে) ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা। সংগঠনের সভাপতি শেখ এখলাছুর উর রহমানের সঞ্চালনায় ওই সভায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হোসেন, অফিসার ইনচার্জ মো. আলী আরশাদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভাপতি মো. হারুন-অর-রশীদ, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তারেক কামাল, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জুনায়েদ মিয়া, সরাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভাপতি মো. ইছমত আলী, ডেপুটি কমান্ডার এম. এফ. মো. আনোয়ার হোসেন, সরাইল কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, অরুাইল কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুখলেছুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মো. আরব আলী, শিকক্ষক মো. হাবিবুর রহমান নান্নু, অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল্লাহ, বিধান চন্দ্র দেব ও সরাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আইয়ুব খান। সংগঠন সূত্র জানায়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মেধা নির্বাচনী পরীক্ষা “অন্বেষণ” এর মাধ্যমে বাচাইকৃত সরাইল নাসিরনগরের ১৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৫১ মেধাবী শিক্ষার্থী ও শুধু চুন্টা ইউনিয়নের ২০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সরাইল প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মো. মাসুদুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সরাইল প্রেস ক্লাবকে সম্মমাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়েছে। প্রধান অতিথি সংবর্ধিত শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ক্রেষ্ট, সনদ এবং নগদ অর্থ তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এমপি বলেন, ইতিহাসে গৌরবোজ্জল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের তীর্থস্থান এই চুন্টা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়ায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। জাতি তাদের কাছে চিরদিন ঋণি। তবে দেশে ভূঁইফোর ও ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা দেখলে মরে যেতে ইচ্ছে করে। তিনি চুন্টার ভূমি দস্যুদের বিতাড়িত করে ঐতিহাসিক সেনবাড়িতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর ও একটি অফিস করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।