2 তবে পদপৃষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। আল আরাবিয়ার সংবাদে বলা হচ্ছে এখনো ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। হাজিদের ভিড়ে উদ্ধারকর্মীরা বিকল্প পথ ব্যবহার করে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখছেন এবং বহু আহত হাজিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। 3 4হাসপাতালে পাঠানোর আগে অনেক হাজিকে ঘটনাস্থালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ঘটনাস্থল থেকে হাজিদের উদ্ধার করে প্রথমে জামারাত সেতুর কাছে একটি জরুরিভাবে স্থাপিত হাসপাতালে পাঠানোর পর সেখানে স্থানের সংকুলান না হওয়ায় আশে পাশের আরো চারটি হাসপাতালে আহত হাজিদের পাঠানো হয়। এর পাশাপাশি হেলিকপ্টারে করে আহত হাজিদের মক্কায় হাসপাতালে নেয়া হয়। 5টুইটারে সৌদি সিভিল ডিফেন্স টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অনেক আহত হাজিকে ঘটনাস্থল থেকে সামান্য ফাঁকা স্থানে এনে চিকিৎসকা দেয়া হয়। বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা দেয়ার জন্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ মাসের শুরুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজিরা যখন সৌদি আরব পৌঁছাতে শুরু করে তখন প্রচ- ঝড় ও বৃষ্টিতে একটি ক্রেন ভেঙ্গে হারাম শরীফে পড়ে গেলে অন্তত ১১১ জন হাজি মারা যান। একই হজ মৌসুমে হাজিদের হতাহতের মত দ্বিতীয় ঘটনা ঘটল মিনায়। গত কয়েক বছর ধরে সৌদি আরব সরকার হাজিদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ বৃদ্ধির জন্যে যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বেশ কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।"/>

মিনায় নিহত হাজির সংখ্যা বেড়ে ৭১৭

24 September, 2015 : 1:31 pm ২০৪

আমাদের কথা ডেস্ক :

সৌদি আরবের মিনায় পদপৃষ্ট হয়ে অন্তত ৭১৭ জন হাজি মারা গেছেন। আহত হয়েছে প্রায় ৭ শতাধিক হাজি। সৌদি গেজেট এ খবর দিয়ে বলছে পদপৃষ্ট হয়ে নিহত হাজির সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স বলছে মিনায় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক খবরে বলা হয়েছিল মিনায় শয়তানের উদ্দেশ্যে পাথর ছুড়ে মারার সময় হাজিদের ভিড়ে এক পর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। কিন্তু এরপর বলা হয় মিনায় প্রতীকি শয়তানের উদ্দেশ্যে পাথর মারার জন্যে হাজিরা অগ্রসর হওয়ার সময় জামারাত সেতুর কাছে পৌঁছালে পদপৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। আল-আরাবিয়া নিউজ চ্যানেলের সংবা“াতা আব্দুল রহমান আল কাশেমি জানান, জামারাত সেতুর কাছে ২০৪ নম্বর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
তবে প্রাথমিকভাবে নিহত হাজিদের মধ্যে কারা কোন দেশের নাগরিক তা জানা এখনো সম্ভব হয়নি। সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে নিহত বাংলাদেশি কোনো হাজি আছে কি না তা জানতে কিছুটা সময় লাগবে। পদপৃষ্ট হয়ে যারা আহত হয়েছেন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

2

তবে পদপৃষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। আল আরাবিয়ার সংবাদে বলা হচ্ছে এখনো ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। হাজিদের ভিড়ে উদ্ধারকর্মীরা বিকল্প পথ ব্যবহার করে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখছেন এবং বহু আহত হাজিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

3

4হাসপাতালে পাঠানোর আগে অনেক হাজিকে ঘটনাস্থালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ঘটনাস্থল থেকে হাজিদের উদ্ধার করে প্রথমে জামারাত সেতুর কাছে একটি জরুরিভাবে স্থাপিত হাসপাতালে পাঠানোর পর সেখানে স্থানের সংকুলান না হওয়ায় আশে পাশের আরো চারটি হাসপাতালে আহত হাজিদের পাঠানো হয়। এর পাশাপাশি হেলিকপ্টারে করে আহত হাজিদের মক্কায় হাসপাতালে নেয়া হয়।
5টুইটারে সৌদি সিভিল ডিফেন্স টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অনেক আহত হাজিকে ঘটনাস্থল থেকে সামান্য ফাঁকা স্থানে এনে চিকিৎসকা দেয়া হয়। বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা দেয়ার জন্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এ মাসের শুরুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজিরা যখন সৌদি আরব পৌঁছাতে শুরু করে তখন প্রচ- ঝড় ও বৃষ্টিতে একটি ক্রেন ভেঙ্গে হারাম শরীফে পড়ে গেলে অন্তত ১১১ জন হাজি মারা যান। একই হজ মৌসুমে হাজিদের হতাহতের মত দ্বিতীয় ঘটনা ঘটল মিনায়। গত কয়েক বছর ধরে সৌদি আরব সরকার হাজিদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ বৃদ্ধির জন্যে যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বেশ কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

[gs-fb-comments]