স্টাফ রিপোর্টার :
২৯ সেপ্টেম্বর, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম সদস্য, সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, প্রখ্যাত আইনজ্ঞ জননেতা আলহাজ্ব সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম এর জš§ ৯ই জুন ১৯৩৮খ্রিঃ। ২০০৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় শিক্ষা আন্দোলন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বার-এ আইন পেশায় যোগদান করেন এবং আওয়ামীলীগে সম্পৃক্ত থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৪, ১৯৬৬, ১৯৬৮ এবং ১৯৬৯’র গণঅভ্যূত্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন।
১৯৭০ এর ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ এ গণপরিষদ সদস্য হিসাবে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।স্বাধীনতা উত্তর সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচনী এলাকা পূর্ণগঠন ও উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করেন এবং এলাকার আমুল পরিবর্তন ঘটান। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্টের পর গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘ্যকারাভোগ করেন। দীর্ঘ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সামরিক শাসনসহ সকল কালাকানুন বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
২৯ সেপ্টেম্বর, তাঁর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিকভাবে সরাইল কুট্টাপাড়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।