স্টাফ রিপোর্টার :

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যর্নিবাহী কমিটির অন্যতম নেতা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্ম বাঙ্গালী জাতির জন্য একটি আনন্দ ও সৌভাগ্যের দিন। কেননা জননেত্রীর শেখ হানির জন্ম না হলে আমরা একটি সুখি সম্মৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ পেতাম না। তিনি বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার ২৯বার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এই বাংলার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে কাজ করে যাচ্ছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ তার পরিবারের সবাইকে হত্যা করার পরও তিনি এদেশে ফিরে এসছেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করতে। আর সে বিচার হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবর রহমান তাঁর দেশের প্রিয় জনগনের কল্যানে যে স্বপ্ন দেখেছেন সেই স্বপ্নের সঠিক বাস্তবায়নই জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রদান লক্ষ্য।

20150928_192403 copyতিনি সোমবার সন্ধ্যায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা, কেককাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপরক্ত কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি আরো বলেন শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক জাদুকর অখ্যায়িত করে বলেন দেশের ক্লান্তিলঙ্গে সঠিক সিধান্ত নেওয়া তার রাজনৈতিক বিচক্ষনাতার অন্যতম প্রমান।দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অভ্যান্তরিত মানব সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পাদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চত করার মাধ্যমে দেশকে একটি ম্যধম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করা তার বড় সাফল্য। তৃনমূল প্রর্যয়ে থেকে রাষ্ট্রিয় প্রত্যেক দপ্তরকে ডিজিটাইজেশন করা মত কঠিন কাজটিও তিনি বাস্তাবয়ন করেছেন। সুর স¤্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তানে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, পৌর মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন সহ অন্যান্য সহ সভাপতিবৃন্দ ও জেলা আওয়ামীলীগের উদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আমানুল হক সেন্টু সহ অন্যান্য উপদেষ্ঠা বৃন্দ। মোকতাদির চৌধুরী বক্তব্যে আরো বলেন কুটনৈতিক ক্ষেত্রে জননেত্রীর সাফল্য আজ বিশ্বজুরে সুনাম অর্জন করেছে। ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি-সিমান্ত  চুক্তি। মিনায়মারের সাথে আইনী লড়াই সুমুদ্র জয়। মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যু কমানো, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেজ্ঞ মোকাবেলা করা, বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আবদান রাখায় আইসিটি, এমডিজি, চেম্পইন অব দ্যা আর্থ সহ বিভিন্ন পুরুস্কার অর্জন করে তিনি শুধু একজন উচ্চমার্গীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেননি, তিনি আজ একজন সফল রাষ্ট নায়ক,তিনি আজ বিশ্ব নেতৃত্বের অন্যতম প্রথিকৃত। সভায় জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টুর পরিচালনায় আমন্ত্রীত অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মোখলেছুর রহমান খান, কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মোহাম্মদ আশরাফ, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর অমৃত লাল সাহা, ভাষা সৈনিক মুহম্মদ মুসা, সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, সমতট বার্তা সম্পাদক মনজুরুল আলম, চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরকারি অর্নাস কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মকবুল আহমদে, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. বিশ্বজিৎ ভাদুরী। মোকতাদির চৌধুরী আরো বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবর রহমান বৃহৎ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের একটি দেশে দিয়েছেন, বাংলা ভাষার একটি রাষ্ট্র দিয়েছেন, আর তার সুযোগ্য কন্যা দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। মোকতাদির চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ্যায়ু ও উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে সকলকে শুভেচ্ছা জানান। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত করে কবিতা আবৃত্তি করেন জেলা আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন। আলোচনা সভা শেষ বর্নাঢ্য মোঃ মনির হোসেনের পরিচালনায় বর্নাঢ্য সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীতহ পরিবেশন করেন নবনিতা রায় বর্মণ, দেবাশীষ চক্রবর্তী শান্তা পাল। অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামীলীগের অঙ্গ ও সহোযোগী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।