নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, একজন অসুস্থ আসামি হাসপাতালে ক’দিন থাকবে তা সম্পূর্ণ চিকিৎসকের উপর নির্ভর করে। এতে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

কারা অধিদফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসাসেবা পাওয়া একজন বন্দীর মৌলিক অধিকার। আমাদের ৬৮টি কারাগারের জন্য ১১৭ জন চিকিৎসক থাকার কথা তবে রয়েছে মাত্র ৬ জন। অ্যাম্বুলেন্স আছে ৯টি। ডিপ্লোমা নার্সরাও পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছেন। তবে চিকিৎসক না থাকলেও আমরা বন্দীদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে চিন্তিত না।

তিনি আরও বলেন, যেসব বন্দীর নামে হাসপাতালে থাকার অভিযোগ শোনা গেছে তারা অনেকেই ডায়াবেটিকস, ব্লাড প্রেসারসহ কয়েকটি রোগে আক্রান্ত। তারা অসুস্থ বোধ করলেই তাদের হাসপাতালে নিতে হবে বলে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। তাই তারা যখনই বলে অসুস্থ তখনই আমরা তাদের হাসপাতালে নিতে বাধ্য হই।

সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি দীর্ঘদিন রাখেন তাহলে এটা তাদের ব্যাপার। আমরা চাইলেই তাদের আনতে পারি না। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের কারাগারে ফিরিয়ে আনতে হলে আমাদের বন্ড সই করে আনতে হবে। রাজশাহীতে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা বন্ড দিয়ে কারাগারে আনার পর তার মৃত্যু হয়েছে। একজন অসুস্থ কারাবন্দী হাসপাতালে যাওয়ার পর আমাদের দায়িত্ব শুধুমাত্র তার নিরাপত্তা বিধান করা।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের একটি দৈনিকে ‘২০ মাস হাসপাতালে শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফ!’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সেখানে বলা হয়, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফ টানা ২০ মাস ধরে হাসপাতালে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই আসামির কোনো জটিল রোগের কথা জানা যায়নি। কাগজপত্রে লেখা, ‘পিঠে ব্যথা’।’