নাসিরনগর প্রতিনিধি ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় পাগলা কুকুড়ের কামড়ে ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাগলা কুকুরের কামড় হতে বাদ যাচ্ছেনা গবাদী পশুসহ স্কুলগামী শিশুরাও। এ অবস্থায় মানুষের মাঝে একপ্রকার আতংক বিরাজ করছে। আর এ দিকে রক্তের নেশায় মরিয়া হয়ে উঠেছে নাসিরনগরের পাগলা কুকুরগুলো। উল্লেখ্য পাগলা কুকুর নিধনে সংশ্লিষ্টদের সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে দায় মুক্ত হচ্ছেন প্রশাসনের কর্তারা। এমনকি প্রশাসনের কোন উদ্যোগও চোখে পড়েনি।
গত দুদিনে নাসিরনগরে মেচতুর পাড়ায় কামড়িয়েছে গীতা রাণী দাস(৪৫) ও মোহ মায়া রানী দাস(৫০)। গাংকুল পাড়ায় কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছে স্কুল পড়ু–য়া শিক্ষার্থী শরীফ(১২)। নাসিরনগরে সবচেয়ে বেশি আতংকিত এবং আক্রান্ত হচ্ছে বাজারে এবং থানায় যাওয়ার পথে। রাতে সাধারণ মানুষ এমনকি থানার কোন পুলিশও ভয়ে বের হচ্ছেন না। নাসিরনগর কোর্ট রোডে রাত ৭টার পর মানুষ শুন্য হয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমে আসে নিরবতা যেন গভীর রাত। প্রয়োজনীয় কাজও করতে পারছেনা কুকুরের কামড়ের ভয়ে।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী বলেন, বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
উপজেলা থানা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে কুকুরের কামড়ের জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন এর সেবা চালু হয়নি। এটি জেলা হাসপাতাল হতে আনতে হয়।