সিলেট জেলা পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তির অভিযোগ উঠেছে। সিলেট মহানগর যুবলীগের আহবায়ক আলম খান মুক্তি, জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরানসহ যুবলীগ নেতৃবৃন্দ ফলিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেন।

জানা যায়- সোমবার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের অস্থায়ীকার্যালয়ে কদমতলীস্থ বাস টার্মিনালের দরপত্র জমা দিতে যান সিলেট জেলা পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক। দরপত্র জমা দিয়ে বের হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সিলেটের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কটুক্তি করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত হন সিলেট  সিলেট মহানগর যুবলীগের আহবায়ক আলম খান মুক্তি, জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা। তারা ফলিকের এমন কটুক্তি শুনে তার প্রতিবাদ করেন।

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে যুবলীগ নেতাকর্মীরা ও শ্রমিক নেতা ফলিকের সহযোগীরা জড়ো হতে শুরু করেন। তাদের উপস্থিতিতে সিলেট সিটি করপোরেশনের ভেতরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শ্রমিকনেতা ফলিককে তাদের হেফাজতে নিয়ে বের হয়ে যান।

এ ব্যপারে সিলেট জেলা পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক বলেন- তিনি সকালে সিটি করপোরেশনে দরপত্র জমা দিতে গেলে যুবলীগ নেতা শামিম ও যুবলীগ নেতারা তার সাথে কথা বলতে চান। কিন্তু তিনি দরপত্র জমা দেওয়ার আগে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সিলেটের কাউকে নিয়ে কোন কটুক্তি করেননি বলে দাবি করেন।

তবে অপর একটি সুত্র জানিয়েছে- মুলত দরপত্রটি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেওয়া নিয়েই তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় এবং এক পর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।