সাফাতের বাবার কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওসি ফরমান আলীর বিরুদ্ধে – ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত সাফাত আহমেদের বাবা দিলদার আহমেদের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওসি ফরমান।  এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপন জুয়েলার্সের মালিককে চিনি না।  যাকে চিনি না, তার কাছ থেকে কিভাবে টাকা নেব?’ রবিবার সন্ধ্যায় তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি ফরমান আলী বলেন, ‘এই অভিযোগটা মিথ্যা।  আমরা যা করেছি, তা আইনের মধ্য থেকেই করেছি।  আইনের বাইরে গিয়ে আমাদের কোনও কিছু করার সুযোগ নেই। ’ তাহলে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ এলো কেন এমন প্রশ্নের জবাবে ফরমান আলী বলেন, ‘তারা তো অভিযোগই করেনি। ’ কিছুক্ষণ থেমে আবার বলেন, ‘আমরা তো মামলা নিয়েছি, মামলা নেবো না কেন?’ ভিকটিমদের সঙ্গে অপেশাদার আচারণের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ ঠিক না। ’

ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে ওসি বলেন, ‘মামলার তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষেই সব জানা যাবে। ’ তিনি বলেন, ‘আমি ১২ মে রাতে ছুটি থেকে এসে থানায় যোগ দিয়েছি।  বর্তমানে মামলাটি পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার বিভাগ তদন্ত করছে।  তাদের পাশাপাশি আমরাও বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। ’

তবে ঘটনার পর ভিকটিম ও সাফাতের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ওসি খারাপ আচরণ করেছিলেন বলে ভুক্তভোগীরা একাধিকবার জানিয়েছিলেন।  অভিযোগ আছে, রাজধানীতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগকারীদের চরিত্র হননের চেষ্টা করেছেন বনানী থানার ওসি বিএম ফরমান আলী।  ধর্ষণের ঘটনায় গত ৫ মে শুক্রবার থানায় মামলা করতে গেলে প্রথম দফায় থানা থেকে ওই দুই শিক্ষার্থীকে বের করে দেন ওসি।  তবে ৬ মে শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশে মামলা গ্রহণ করেন ওসি।  এরপর থেকে দৃশ্য পাল্টে যেতে থাকে।