সাধারণত সরকারি কোন কাজের ক্ষেত্রে একটা ওয়ার্ক অডার হয়, সেটা অবশ্যয় লিখিত হয় এবং অডার প্রাপ্ত পক্ষ সেই আলোকেই কাজ করে। কিন্তু মৃণালের মূর্তি নির্মাণের ক্ষেত্রে কোন লিখিত ওয়ার্ক অডার হয়নি বা কেউ লিখিত নির্দেশ দেয়নি। হয় তো সে অবৈধভাবে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে নিজেই স্বেচ্ছায় অবৈধ মূর্তি স্থাপন করেছেন, নয় তো কারোর সাথে যোগসাজোশে এই অবৈধ মুর্তিটা স্থাপন করেছেন। তিনি রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ নিয়েছেন অথচ এটা স্থাপনের কোন বৈধ নির্দেশ বা ওয়ার্ক অডার নেই।

তার মানে এটা অবৈধ। এখন যে কেউ চাইলে এটা ভেঙ্গে ফেলতে পারবে, অথবা আদালতের প্রাঙ্গনে অবৈধ স্থাপনা স্থাপনের জন্য মৃণালের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে। এই মামলা কিন্তু গুরুতর হবে।দেখুন ভিডিওতে মৃণাল হকের স্বীকারোক্তি,