সালমা গত রমজানে সেহরি পার্টি থেকে শুরু করে চার মাস রাগ করে বাসা থেকে চলে গিয়ে বাইরে ছিল।  সালমার স্বামীর পরিবার থেকে চাওয়া ছিল  সে একটা সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকুক। ঢাকায় গ্রোগ্রাম করুক, বড় বড় প্রোগ্রামে অংশ নিক।

কিন্তু সালমা এটা চায় না ওর কথা হলো সে আমেরিকা বা দেশের বাইরে যাবে, নাটক ও অভিনয় করবে। রাত-বিরাত স্টুডিওতে গিয়ে কাজ করবে। এসব করতে পারিবারিকভাবে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু  মানতে সে রাজি নয়।  সাংসদ শিবলী সাদিক এসব কথা জানান গণমাধ্যমকে।

শিবলী বলেন, সালমার উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনই বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারণ। তিনি দাবি করেন, সালমার অস্বাভাবিক চলাফেরার কারণেই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে। সংসার টিকিয়ে রাখার সব চেষ্টায় করেছেন তিনি। সে চলতি মাসের ২০ তারিখ বাসায় ফিরে টাকা-পয়সা দাবি করে, মোহরানা দাবি করে। এমনকি কাজী সঙ্গে নিয়ে আসে।

শিবলী বলেন, সালমার বাবা-মা ভাইবোনকে আমিই টাকা-পয়সা দিতাম। এমনকি আমার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর সালমার নামে এখন ঢাকায় দুটি ফ্ল্যাট হয়েছে। তাদের গ্রামে দোতলা বাড়ি করে দিয়েছি আমি। বিয়ে হওয়ার আগেও সালমা ইনকাম করতো কিন্তু কিছুই তো করতে পারেনি।

তবে সালমার বক্তব্য বিয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত  হঠাৎ নয়। তিনি বলেন, অনেকদিন ধরেই আমাদের মনোমালিন্য চলেছে। অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু সংসার বাঁচাতে পারলাম না। অনেক কিছু মেনেও নিয়েছি। আমার প্রিয় বিষয় গান-বাজনা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তার মতো করে চলতে চেয়েছি। আমরা দুজনই আলাদা ভুবনের। সে রাজনীতিক আর আমি গানের মানুষ। আমার এ বিয়ে করাটাই ছিল  ভুল। অল্প বয়সে না বুঝেই আমার জীবনের বড় ভুলটি করেছি।

সম্প্রতি গায়িকা মৌসুমী আক্তার সালমা ও শিবলী সাদিকের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। ২০ নভেম্বর ধানমণ্ডির একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁদের ডিভোর্স সম্পন্ন হলেও বিষয়টি গণ্মাধ্যমের আড়ালে ছিল। এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য ছাড়াই গতকাল কালের কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ। পরে তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমে কথা বলে বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত করেন।