এবারো বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে কাতার। আর সবচেয়ে গরিব দেশের স্থানে আফ্রিকার মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র।

গ্লোবাল ফাইন্যান্স ম্যাগাজিন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও গরিব দেশ হিসেবে এ দেশ দুটিকে নির্বাচিত করেছে।

বিশ্বের ১৮৯টি দেশের এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৩ নম্বরে। নিম্নমধ্যবিত্ত আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নিজের অবস্থান এ তালিকায় ধরে রেখেছে।

২০১৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদন থেকে প্রতিটি দেশের পিপিপি ডলারে মাথাপিছু জিডিপি হিসাব করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ক্রয়ক্ষমতার সমতার ভিত্তিতে (পিপিপি) হিসাব করা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারকে সবচেয়ে ধনী ও গরিব দেশের তালিকা তৈরিতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, পিপিপির ভিত্তিতে হিসাব করা মাথাপিছু জিডিপির আকার যে দেশের যত বেশি সে দেশ তত ধনী।

ধনী দেশ নির্বাচন সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি দেশের নাগরিকরা আসলেই কতটুকু সম্পদশালী সেটা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাদের ক্রয়ক্ষমতা কতটুকু। মাথাপিছু আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বেশি হলে ধরে নেওয়া হয় একটি দেশের নাগরিকেরা তাদের জীবন চালানোর প্রয়োজনীয় সব চাহিদা নিজেরাই পূরণ করতে সক্ষম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে কাতারের মানুষের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ এক  লাখ ২৯ হাজার ডলার। ধনী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারলেও জ্বালানি তেলের দরপতনে গত এক বছরে কাতারের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৫ হাজার ডলার কমেছে। যদিও তা তালিকার দ্বিতীয় ধনী দেশ লুক্সেমবার্গের মাথাপিছু আয়ের প্রায় ২৮ হাজার ডলার বেশি।

গরিব দেশের শীর্ষ দশের সব কটিই আফ্রিকা মহাদেশের। এক নম্বরে থাকা মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মাথাপিছু আয় মাত্র ৬৫৬ ডলার। শীর্ষ দশে থাকা বাকি দেশগুলো যথাক্রমে কঙ্গো, বুরুন্ডি, লাইবেরিয়া, নাইজার, মালাউই, মোজাম্বিক, গিনি, ইরিত্রিয়া ও মাদাগাস্কার। এর মধ্যে কঙ্গোর মাথাপিছু আয় ৭৮৪ ডলার; বুরুন্ডির ৮১৮, লাইবেরিয়ার ৮৮২, নাইজারের ১ হাজার ১১৩, মালাউইর ১ হাজার ১৩৯, মোজাম্বিকের ১ হাজার ২২৮, গিনির ১ হাজার ২৭১, ইরিত্রিয়ার ১ হাজার ৩২১ ও মাদাগাস্কারের ১ হাজার ৫০৪ ডলার।