BBC বাংলা

সম্প্রতি আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রপিতে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনাল মোটামুটি নিশ্চিত করে ফেলে। এরপর ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল পুরোপুরি নিশ্চিত হয়।

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জয়ের মূল নায়ক ছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং সাকিব আল হাসান।
মাহমুদউল্লাহ আর সাকিবের জুটি এনে দিয়েছে এই বিজয়। ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশের পক্ষে এটিই প্রথম ২০০র বেশি রানের জুটি। ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখাও পেয়েছেন দুজন। সাকিব করেছেন ১১৪ রান আর মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত ১০২ রান।

মাহমুদউল্লাহ ১০০ করার পর সে মুসলিম হিসেবে শুকরিয়া আদায় করার জন্য আল্লাহর কাছে ইংল্যান্ডের মাঠে সেজদা করেন। এই দৃশ্য বাংলাদেশের মানুষের মনে আরো অনেক আনন্দ দেয় এবং তাকে সবাই অনেক প্রশংসা করেন।
কিন্তু এই দৃশ্য মেনে নিতে পারছে না নাস্তিকমহল। তারা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নানা রকম ট্যাগ দিচ্ছে। কেউ বলছে পাকিস্তানি রাজাকার, কেউ বলছে সাম্প্রদায়িক, কেউ বলছে মৌলবাদ ইত্যাদি ইত্যাদি।
নাস্তিকরা বাংলাদেশের কোনো মুসলমানকে যদি তাদের ধর্মীয় কাজ করতে দেখে তাকে পাকিস্তান হিসেবে ট্যাগ দেয় এবং বাংলাদেশকে পাকিস্তান মনে করে। আবার কেউ কেউ বলছে, ”ক্রিকেট লেখাকে নাকি অপমান করেছে মাহমুদউল্লাহ। অসাম্প্রদায়িক দেশে এমন সাম্প্রদায়িক কাজ করা মাহমুদউল্লাকে মানায় নি।”
অথচ ইসলাম ধর্ম এসেছে সেই হাজার হাজার বছর আগে বিভিন্ন নবী-রাসূলদের হাত ধরে।
আসলে নাস্তিকরা বাংলাদেশকে কি বানাতে চাই তা কারো জানা নেই। মূলত নাস্তিকদের কাজ হল অরাজকতা সৃষ্টি করা আর কিছুই নয়।