২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে স্বপ্নের অভিষেক।প্রথম দুই ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে নাম লেখান ইতিহাসে। দুই বছর পর ওয়ানডে ম্যাচে সেই ভারতের মুখোমুখি মোস্তাফিজ।১৫ জুন বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যাচটি খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা। ওই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে মোস্তাফিজের নাম। এবারও ভারতীয় ব্যাটিং তছনছ হবে মোস্তাফিজের কাটারে? ভরসা যে ২০ বছর বয়সী এ তরুণ বোলারই।

সেমিফাইনালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দলকে পেয়েছে বাংলাদেশ। কোহলির দলকে হারাতে হলে অন্যরকম কিছু করতে হবে। জ্বলে উঠতে হবে মোস্তাফিজকে। দরকার কাটার বয়ের দারুণ দুটি স্পেল। বার্মিংহামে ভালো কিছু হবে তো?

হ্যাঁ, মোস্তাফিজের কথাতেও পাওয়া গেল আত্মবিশ্বাস।‘ সেমিফাইনালে ওঠতে পেরে ভালো লাগছে। দলের সবাই কমবেশি ভালো করছে। ভারতের বিপক্ষে সেমিফাইনাল। ওরা শক্তিশালী দল। তবে সবাই ফুরফুরে মেজাজে আছে। আশা করি ভালো কিছু হবে। সবাই যদি ভালো করি তাহলে ভালো কিছু হবে।’

কিন্তু সময়টা যে মোটেও ভালো যাচ্ছে না কাটার বয়ের। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের অভিজ্ঞা খারাপ ছিল না। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যে কি যে হলো! তিন ম্যাচে সাকুল্যে মাত্র এক উইকেট! নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যে উইকেটটা পেলেন তাও নিচের দিকের ব্যাটসম্যানের। দ্য ফিজের নামের পাশে কী এই পরিসংখ্যান যায়!

নিজের এ পারফরম্যান্স নিয়ে মোস্তাফিজ নিশ্চয়ই খুশি নন। চান ঘুরে দাঁড়াতে। বললেন,‘আমি সবসময়ই ভালো করার চেষ্টা করি। দলকে দেওয়ার  চেষ্টা করি।কখনও হয় কখনও হয় না। আমি যেটা ভাবি সেটাই করার চেষ্টা করি। আমার কাটারগুলো দেশের উইকেটে ভালো কাজ করে। এখানে ততটা করে না। আমি চেষ্টার কোনো ক্রুটি করি না। কীভাবে ভালো করা যায় তার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি ভালো কিছু হবে।’

গত তিন ম্যাচে প্রচুর বাংলাদেশি এসেছিলেন খেলা দেখতে। কিন্তু তাদের ভালো কিছু দেখাতে পারেননি। ভারতের বিপক্ষে ভালো করে দর্শকদের চাহিদা মেটাবেন বলে জানালেন মোস্তাফিজ। বললেন,‘ দেশের খেলা বলেই তারা মাঠে আসেন। বাংলাদেশ ভালো খেলে বলেই তারা আসেন। তারা আমাদের ভালোবাসেন। আমরা চেষ্টা করব তাদের ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার। আমরা তাদের সম্মান রাখার জন্য ভালো খেলব। দেশের জন্য ভালো খেলব।’