ইমরান খান। একজন গ্রেট ক্রিকেটার। আজ দুইদিন টাইমলাইনে যা দেখছি উনাকে নিয়ে তার সত্যতা খুঁজে পাওয়ার জন্য মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় চোখ রেখেছি। সেখানে সেমি বেশ্যারপুত শেবাগ আর গাঙ্গুলী ছাড়া আর কারো সমালোচনা চোখে পড়েনি। ইমরান খানের সমালোচনা তো নয়ই। যা করেছে ভুঁইফোড় কিছু অনলাইন ওয়েব পোর্টাল। এইরকম কয়েকটা ওয়েবপোর্টাল আমার পকেটেই থাকে। এদের অবস্থা জানি। জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য এরা মাঝে মাঝে জয়া আহসানের ভুয়া যৌন কেলেঙ্কারির খবর ছাপে। পাবলিকরে সুড়সুড়ি দিয়ে হলেও পড়াইতে হবে। ইমরান খান তার রাজনৈতিক দর্শনের জন্য একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি চরম অপছন্দের পাত্র আমার। কিন্তু ক্রিকেটার হিসেবে সম্ভবত সেই যুগের বিবেচনায় সেরা। সেসময় বল হাতে আগুন ঝরানো আর ব্যাট হাতে প্রতিপক্ষ বোলারদের মনে কাঁপন ধরানোর ওস্তাদ ছিলেন। সুইং আর রিভার্স সুইং কী ছিলনা তার! গ্রেট ক্রিকেটাররা বার বার স্বীকার করেছেন। উনার খেলা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। যা দেখেছি ইউটিউবে। আর ক্রিকেট ক্লাসিকে। সেই ভাদা সেমি বেশ্যারপুতেরা (যারা ভুল স্বীকার করেছেন তারা ব্যতীত) আজ তিনদিন ধরে শেবাগ আর গাঙ্গুলীর সমালোচনা ছেড়ে ইমরান খানকে নিয়ে ছুটেছেন। অথচ ওদের উচিত ছিল ইমরান খানকে মাথায় তুলে রাখা। কারণ ২০১১ বিশ্বকাপে মিরপুরে পাকিস্তান এবং ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ম্যাচে এইদেশে পাকিস্তানের এত সমর্থক দেখে ইমরান খান স্পষ্ট বলেছিলেন, “পাকিস্তানের উচিত ‘৭১ এর পাকিস্তানের ভুমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়া।” তার গঠিত তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি হুট করেই জনপ্রিয়তা পেয়ে বসে। রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়েও তার কথা বলার ফুরসত মেলে না। এইসব নিয়ে পড়ে থাকার কারণে তার দুইটা বউ ভেগেছে। তার কি এমন ঠেকা পড়ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে কথা বলার! স্বাভাবিক মস্তিষ্কে চিন্তা করুন তো! ম্যাচ চলাকালীন মুহুর্তে কমেন্ট্রি বক্সে বসে বেজন্মা সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছিল ভারতের উচিত রোববারের ফাইনালের প্রস্তুতি নেয়া। হ্যাতে শিউর বাংলাদেশের সাথে সেমিফাইনাল খেলা এমনিতেই জিতবে। বিয়া ছাড়াই বাপ হওয়ার কাজ তো ’১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালেও করেছে। এবারও সেই চিন্তা চলছে নাকি! ন্যুন্যতম সম্মান প্রতিবেশি রাষ্ট্রকে দেয়নি। এটা তো ভারতের জাতিগত সমস্যা। পতিতাপল্লীতে জন্ম নেয়া শেবাগ বাংলাদেশকে তাদের নাতি বলেছে। সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে পাত্তাই দিচ্ছে না। বাংলাদেশ ফেয়ারপ্লে গেম উপহার দিবে সেমিফাইনালে। হারি বা জিতি আমাদের আচরণ হবে সভ্য দেশের মানুষের মতো। আমরা প্রতিটা ঘরেই টয়লেট নিশ্চিত করেছি। যা থেকে ভারত অর্ধ শতাব্দী দুরত্বে আছে। ইমরান খানরা বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রশংসা ব্যতীত কটাক্ষ করেননি।