“ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মাটি জিয়া পরিবারের ঘাটি” কথাটি ৭১ পরবর্তী বেশীর ভাগ জাতীয় নির্বাচনেই প্রমাণিত সত্য।
আসছে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শুরো হয়ে গেছে বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ,তদবীর,তকদীর।

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার ৬ টি সংসদীয় আসন রয়েছে।আসনগুলো যথাক্রমে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-১ নাছিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-২ সরাইল,আআশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৩ সদর আসন(যার সাথে যুক্ত আছে নবনির্মিত থানা বিজয়নগরের),ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৪ কসবা,আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ নবীনগর,ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৬ বাঞ্ছারামপূর।গত বিনাভোটের নির্বাচনে মোটামুটি সবকয়টি আসনই আওয়ামিলীগের দখলে ছিল।কথিত আছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সবকয়টি আসন বিএনপির ঘরে যাবে।

আজকের আলোচনায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসনে বিএনপির নমিনেশনের দৌড়ে কার কি অবস্থান ও তৃণমূলের প্রত্যাশা নিয়ে আলোকপাত করব।সদর আসন থেকে হারুন আল রসিদ সাবেক মন্ত্রী,বার বার নির্বাচিত সাংসদ,বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সর্বজন শ্রদ্ধেয় বয়োবৃদ্ধ নেতা।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া পরিবারের সাথে যার রয়েছে যথেষ্ট সহ্যতা।তারপর ও বয়সের ভারে বার্ধক্যে পৌছে যাওয়ায় আগের মত আর মাঠে ময়দানে চষে বেড়াতে পারছেন না।কথা থেকে যায় সাবেক মন্ত্রী থাকা এবং একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এলাকায় তার একটা নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে সর্বত্র।যা খাটো করে দেখার অবকাশ নেই।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসনটি নিয়ে যে নামটি সমধিক উচ্চারিত হয়ে আসছে,তিনি ইঞ্জিনিয়া মাহবুব হোসেন খান শ্যামল,শিল্পপতি, দানবীর।বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক।ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল বর্তমান বিএনপির ক্রান্তিকালে হারুন আল রসিদের তৈরি করা মাঠটি অত্যন্ত সফলতা ও যোগ্যতার সাথে গোছিয়ে এনেছেন।বিএনপির দুর্দিনে তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বত্র অহর্নিশি কাজ করে চলেছেন।প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে শুরু করে সকল প্রকার দলীয় অনুষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠানে নিজেকে অবিচ্ছিন্ন রেখে চলেছেন দীর্ঘ সময় ধরে।এলাকার জনগণও আশা করেন ইঞ্জিনিয়া শ্যামলই এই আসনের যৌক্তিক হকদার।যদিও কমবেশি মতদ্বৈধতা আছে।

লোকমুখে আরো দুইজনের নাম সদর আসনের প্রার্থীতার জন্য গুঞ্জন শুনা যায়।একজন হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খোকন।অপরজন হলেন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, একসময়কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর ডাকসাইটের ছাত্রনেতা রুহুল আলম আল মাহবুব মানিক