রাশিয়ায় দায়িত্বরত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ওমর গোবাশ জানিয়েছেন, সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট কাতারের উপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আনতে পারে। সৌদি আরব তার ব্যবসায়িক সহযোগী দেশগুলোকে দোহা ও তাদের মধ্যে একজনের পক্ষ বেছে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল জিসিসি থেকে কাতারকে ত্যাগ করাই একমাত্র নিষেধাজ্ঞা নয়। আমরা তাদের উপর আরও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে চিন্তা করছি।’

৫ জুন সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসরসহ ৬ দেশ। এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে কাতার।

ওমর গোবাশ বলেন, ‘কাতার যদি আমাদের দেওয়া দাবি মেনে না নেয়। তবে তাদেরকে বিদায়। আমাদের সঙ্গে আপনাকে আর প্রয়োজন নেই।’

বৃহস্পতিবার সৌদি জোটের ১৩ শর্তে কাতারকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করা একং আল জাজিরা টেলিভিশন বন্ধ করে দিতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। এসব শর্ত না মানলে দেশটিকে ‘একঘরে’ করার হুমকি দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ার গারগাশ। তিনি বলেন,‘এর কোনও বিকল্প নেই। বিকল্প একটাই, বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। কারণ একসঙ্গে কাজ করাটা তখন খুবই কঠিন হবে

আল-জাজিরা বন্ধ করে দেওয়াটা যৌক্তিক মনে করেন কিনা এমন প্রশ্নে গোবাশ বলেন, আরব আমিরাত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ব্যাপারে কথা বলেনা। তিনি বলেন, ‘আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টিকে এত গুরুত্ব সহকারে দেখি না। আমরা দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে চাই। তিনি বলেন, আরব দেশে ‘বক্তব্যের একটি অনন্য’ ধারা রয়েছে। এটা পাল্টে গেলে শান্তিপূর্ণ অবস্থা নষ্ট হতে পারে। কাতারকেও এই বিষয়গুলো মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: আল-জাজিরা