কার্তিক মাসের মাহাত্ম্য সম্পর্কে আমরা আর কতটুকু জানি৷ এই মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ এই মাস পরম পূন্যের মাস৷ বিশ্বাস যে, কার্তিক মাসে ভক্তি ভরে স্বল্প পরিমাণ ভাগবত পাঠ শুনলে শ্রী হরি বেজায় সন্তুষ্ট হন৷

বিশেষ করে কার্তিক মাসে এই রকমই একটি ভাগবত সেবা হচ্ছে দেবতার মন্দিরে বা গৃহ মন্দিরে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা৷ শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, এই কার্তিক মাসে মন্দিরে দীপ দান করলে তাঁকে আর এই জন্মে মৃত্যু লোকে ফিরে আসতে হয় না৷

শ্রী হরির ভক্তিবিলাস গ্রন্থের ষোলোবিলাস অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে কার্তিক মাসে মন্দিরে ভক্তি ভরে দীপ দান, আকাশ প্রদীপ জ্বালানো ইত্যাদি কাজগুলি করলে জীবনে অনেক উন্নতি করতে পারবেন৷

স্কন্দ পূরানে বলা হয়েছে, যদি কেউ ঘি-এর প্রদীপ বা তেলের প্রদীপ ভগবান বিষ্ণুর মন্দিরে জ্বালান তাহলে তিনি অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ করেন৷

কারও সন্তান যদি কার্তিক মাসে দীপ দান করার মাধ্যমে বিষ্ণুর প্রীতি সাধনে উদ্যত হয়, তাহলে বংশের সকলেই মুক্তি লাভের অধিকারী হন৷

যদি কোনও ব্যক্তি সারা জীবন পাপ সঞ্চয় করে রাখেন, তাহলে কার্তিক মাসে মন্দিরে যদি প্রদীপ জ্বালায় তবে সেই ব্যক্তিও মুক্তি লাভ করতে পারবেন৷  পারবেন ৷

কার্তিক মাসে রাধামাধবের মন্দিরে দীপ দান করলে প্রচুর পুন্য অর্জন করা যায়৷ সাধারণত তিন ধরনের প্রদীপ দেবতার উদ্দেশে নিবেদন করা হয়৷ আর সেগুলি হল-কর্পূরের প্রদীপ, তিলের তেলের প্রদীপ ও ঘিয়ের প্রদীপ৷

তবে হ্যাঁ, কোনও ময়লা বা কর্দমাক্ত স্থানে দীপ জ্বালিয়ে রাখবেন না৷ প্রদীপের সলতে পরিষ্কার কাপড় বা তুলো দিয়ে তৈরি করবেন৷

যে দীপ জ্বালানো হয়েছে তা কখনও নিজ হাতে নেভাবেন না