কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের এমপি তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা গোলাম সারোয়ার মজুমদারকে ছাত্রশিবির বানিয়ে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাম সারোয়ার মজুমদার মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব। বর্তমানে তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য। সম্প্রতি তাকে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লা সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক ছিলেন গোলাম সারোয়ার। তিনি মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানও ছিলেন।

তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পূর্ব-বিরোধের জের ধরে গোলাম সারোয়ারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছেন স্থানীয় এমপি তাজুল ইসলাম।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মিঠু বলেন, আমি দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে সারোয়ারকে মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেছি। তাকে স্থানীয় এমপি তাজুল ইসলাম মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ফারুক বলেন, গোলাম সারোয়ার আওয়ামী লীগের দুর্দিনের নেতা। কোনো অন্যায় করলে দলীয় ফোরামে তার বিচার হতে পারত। কিন্তু আওয়ামী লীগের কোনো নেতা তার ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে জামায়াত-শিবির বানিয়ে যুবলীগ নেতাকে জেলে পাঠানোর ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও এমপি তাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। অবশ্য তিনি স্থানীয়দের বলেছেন, গোলাম সারোয়ারকে গ্রেফতার করানোর সঙ্গে তিনি জড়িত নন।