কংগ্রেস, বামপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষতার ছত্রছায়ায় কট্টরপন্থীরা কিভাবে দিন দিন বেড়ে চলেছে তার নূন্যতম প্রভাব আন্দাজ করতে পারছে না হিন্দু সমাজ। দেশে দীর্ঘদিন ধরে নোংরা তোষণ রাজনীতির কারণে কট্টরপন্থীরা আজ নিজেদের শিকড় দারুণভাবে মজবুত করে নিয়েছে। হিন্দু ধর্মের নামে কুৎসা রোটানোর জন্য এবং নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য জিহাদি কট্টরপন্থীরা এখন হিন্দু সেজে ভণ্ডামি শুরু করে দিয়েছে। বহু কট্টরপন্থী এখন গেরুয়া বস্ত্র ধারণ করে ভারতের শহরে শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং হিন্দু সমাজের ব্যাপকভাবে ক্ষতি করতে সক্ষম হচ্ছে। তবে শুধু একটা শহরে নয়, ভারতের প্রত্যেক বড়ো শহরে কট্টরপন্থীরা তাদের এজেন্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনি একটা ঘটনা সামনে এসেছে উত্তরপ্রদেশ থেকে। অখিলেশ যাদবের আমলে উত্তরপ্রদেশের কট্টরপন্থীরা ব্যাপকভাবে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেছে যার ফল এখনো অবধি দেখা যাচ্ছে।

যদিও এই সমস্ত নোংরা রাজনীতিবিদদের কাছে নিজের স্বার্থের থেকে গুরুত্বপূর্ণ বস্তু কিছু হয় না। তবে লজ্জাজনক বিষয় এটা যে অখিলেশ যাদব নিজেকে ভগবান কৃষ্ণের বংশধর বলে দাবি করে। অথচ এই অখিলেশ যাদব ভগবান কৃষ্ণের পবিত্র নগরী মথুরাকে ইসলামিকরন করার পেছনে সমর্থন দিয়েছিল। ওপরে দুই পুলিশ কর্মীর সাথে যে দুজন ব্যাক্তির ছবি দেখছেন সে কোনো হিন্দু নয় বরং একজন কট্টরপন্থী। গেরুয়া বস্ত্র পরিহিত, গলায় তুলসী মালা পরিহিত বাক্তিটিকে একজন হিন্দু পন্ডিত মনে হলেও, ওই ব্যক্তির আসল নাম আব্দুল।এই জিহাদিকে মথুরা পুলিশ গেপ্তার করেছে।

জানিয়ে রাখি এক ব্যাক্তি হিন্দু তো দূর বরং কোনো ভারতীয় ব্যাক্তি নয়। আব্দুল একজন বাংলাদেশী কট্টরপন্থী জিহাদি যে ভারতে লুকিয়ে থাকার জন্য হিন্দু বেশ ধারণ করেছিল। অখিলেশ যাদবের শাসনকালে মথুরাতে এই কট্টরপন্থীদের দাপট ব্যাপক হারে বেড়েছিল। এখন যোগী আমলে পুলিশ এক আব্দুলকে গেপ্তার করেছে যার হাত ধরে আরো কট্টরপন্থীর খোঁজ মিলতে পারে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ইসকন মন্দিরের সামনে থেকে মথুরা পুলিশ এই বাংলাদেশি কট্টরপন্থীকে গেপ্তার করেছে। এই কট্টরপন্থী হিন্দু পন্ডিত সেজে, নাম পরিবর্তন করে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে বেড়াত এবং সনাতন হিন্দু ধর্মের নামে কুকাজ করতো।

তথাকথিত ধর্নিরপেক্ষবাদী নেতারা দেশের কি দুর্গতি করে দিয়ে গেছে তা নিয়ে সামান্যতম ভ্রূক্ষেপ নেই ঘুমন্ত ভারতীয়দের। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবী সমাজ দিনরাত এক করে হিন্দু পন্ডিত, হিন্দু পুরোহিত ও হিন্দু সাধুদের গালাগালি করে। মিডিয়া দাবি করে সমস্থকিছু ধার্মিক ভন্ডামির মূলে হিন্দু সাধু সন্তরা। কিন্তু আসলে অপরাধ কট্টরপন্থীরা করে হিন্দু সমাজের উপর তার দোষারোপ চাপিয়ে দেয়।