নিজের নিরাপত্তার জন্য পিস্তলসহ একজন নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও শটগানসহ আরেকজন নিরাপত্তারক্ষী চেয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এ জন্য ডিএমপি কমিশনার বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, ৩ ডিসেম্বর এ চিঠি দেয়া হয়। ইসি সচিবের একান্ত সচিব মো. আল মামুন চিঠিটি দেন।

চিঠিতে লেখা রয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ নির্বাচনের কাজে সার্বক্ষণিক ব্যস্ত রয়েছেন। সচিবের নিরাপত্তার জন্য ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগ নিযুক্ত পিস্তলসহ একজন দেহরক্ষী কর্মরত রয়েছেন। জাতীয় নির্বাচন চলাকালে তার নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন। এ জন্য পিস্তলসহ দেহরক্ষী/গানম্যানের পাশাপাশি শটগানসহ আরও একজন দেহরক্ষী/গানম্যন নিযুক্ত করা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে গানম্যান নিযুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

প্রসঙ্গত, তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির তরফ থেকে একাধিকবার নির্বাচন কমিশন সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তার বদলি ও প্রত্যাহার চেয়েও একাধিকবার কমিশন বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবের পদত্যাগ বা প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে চিঠিতে দাবি করা হয়, ‘তিনি বিতর্কিত ও অতিমাত্রায় প্রচারমুখী। শতাধিক কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তাকে সচিব পদে পদায়ন করা হয়। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের ডেকে নিয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখানো অভিযোগ রয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মহীউদ্দীনের একান্ত সচিব ছিলেন। মহীউদ্দীনের ছেলে ব্যারিস্টার নওফেল এখন আওয়ামী লীগের নেতা। যিনি এখন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হিসেবে কমিশনে নিয়মিত যাতায়াত করেন। সব মিলিয়ে সচিবের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।’