আক্রমণ হলে অবশ্যই প্রত্যাঘাত করা হবে। মঙ্গলবার দুপুরে এমনটাই হুঁশিয়ারি দেন পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তাঁর এই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘন্টার মধ্যে ভারতীয় সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে হেভি শেলিং পাকিস্তান সেনার। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে জম্মু-কাশ্মীরের নৌসরেতা হেভি শেলিং শুরু করে পাকসেনা। ভারতীয় সেনা ছাউনি ছাড়াও সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকে টার্গেট করে পাকিস্তান সেনা। এমনটাই জানা যায়। যদিও পাকসেনাকে কড়া ভাষায় জবাব দিতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনাও। সেনার তরফেও পালটা মর্টার শেলিং করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। কার্যত একেবারে খোলা হাতে পাকিস্তানকে জবাব দিচ্ছে ভারত। দুপক্ষের গোলাগুলিতে ব্যাপক উত্তেজনা সীমান্তে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের শেলিং থেকে সীমান্তের মানুষকে বাঁচাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাঁদেরকে সুরক্ষিত জায়গায় সরানো হচ্ছে। পাশাপাশি পাকসেনার শেলিংয়ের পরেই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সেনাবাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কারণ, শেলিং করে জঙ্গিদের কভার ফায়ার দেয় পাকিস্তান সেনা। সেই কারণে হাই-অ্যালার্ট জারি হয়েছে। এদিন দুপুরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল কনওয়ালজিত সিং ধিলোন বলেন, জইশ ই মহম্মদ পাকিস্তানেরই সন্তান৷ এই পুলওয়ামাকাণ্ডে পাকিস্তানি সেনার ১০০ শতাংশ হাত রয়েছে বলে জানান তিনি৷ তবে পাক অনুপ্রবেশ অনেকটাই কমে এসেছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি৷ এরপরই ভাষণ দেন ইমরান খান। বলেন, এটা নতুন পাকিস্তান। এই পাকিস্তান শান্তি চায়। তবে আঘাত করলে পাল্টা জবাব যে দেওয়া হবে সেটা স্পষ্ট জানান ইমরান। একইসঙ্গে বলেন, ভারতের সংবাদমাধ্যমে বারবার শোনা যাচ্ছে যে পাকিস্তানের উপর আঘাত হানতে হবে। ইমরান বলেন, ‘আমরা জানি ভারতে সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে পাকিস্তানের উপর আঘাত হানলে নির্বাচনে লাভ হবে।’ ইমরানের এহেন বক্তব্যের পরেই বিনা প্ররোচনাতে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান সেনা।