ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্টানের জনবল কাঠামো ও এম.পি.ও নীতিমালাকে বৃদ্ধাআঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগসহ ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কলেজের বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোহাম্মদ সফিউল্লাহ্ ও অভিভাবক সদস্য অজিত চন্দ্র চৌধুরী কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবরে অবৈধ নিয়োগ বাতিলসহ তদন্তপূর্বক অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। মঙ্গলবার (০৫/০২) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে নিদৃষ্ট ফি জমা দিয়ে এ আবদেন করা হয়েছে। আবেদন সুত্রে জানা গেছে,শিক্ষা নীতিমালায় ৬০ বছরের উর্ধে চাকুরি করা যাবে না বিধান থাকলেও তিনি ম্যানেজিং কমিটির কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিেেদর ম্যানেজ করে দুই বছরের জন্য বিধিলঙ্গন করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের রেজুলেশন করিয়ে নেন। এমপিও ভুক্ত কলেজে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কোন বিধান নেই। অধ্যক্ষ কমিটির কতিপয় সদস্যদের সহযোগিতায় সরকারি ব্যাংক থেকে কলেজের হিসাব বে-সরকারি ব্যাংকে স্থানান্তরের মাধমে একক স্বাক্ষরে পরিচালনা করছেন যা নীতিমালা বর্হিভূত। ওই অবৈধ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ায় কলেজ ফান্ড থেকে অধ্যক্ষকে ৪৪,০০০/=বেতন ধরা হয়েছে। এত টাকা বেতন দেয়ার কারনে ০৫ মাস যাবৎ শিক্ষক-কর্মচারীগণ কলেজ অংশের বেতন/ভাতা পাচ্ছেন না। এ নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী গণের মধ্যে চলছে চাপা উত্তেজনা। স্থানীয়দের অভিযোগ তিনি কর্মস্থলে থাকেন না। ঢাকায় উত্তরা তাঁর বাসা। প্রতিমাসে ৪ থেকে ৫ দিন তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন ফলে অধ্যক্ষের অনুপস্থিতে কলেজের লেখাপড়া সহ প্রশাসনিক কাজ কর্মের কোন গতি নেই। শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-কর্মচারীরা স্বাধীন ভাবে কলেজে আসা যাওয়া করেন এবং ১২টা-০১ টার পর কলেজে কারো দেখা মিলে না। ফলে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ,অমনোযোগী হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এরপূর্বেও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে বিভিন্ন সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্বে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ মো. জকির হোসেন তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক আমার নিয়োগ হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে কথা বলতে কুমিল্লা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসার রুহুল আমীন হাওলাদারকে তাঁর এই ০১৭১১৭২৩২২৩ যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি তবে বোর্ডের অডিট অফিসার আবদুল খালেক বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে,কর্তৃপক্ষ গুরুত্বসহকারে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে ।