ডেস্ক রিপোর্ট //

বঙ্কিমচন্দের বিখ্যাত উপন্যাস “দেবী চৌধুরানী”– এর নায়িকা দেবী চৌধুরানী তথা প্রফুল্ল ছিলেন বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের মানুষ। রংপুরের পীরগাছার একটি

“দেবী চৌধুরানীর নির্মিত মন্দির”

বঙ্কিমচন্দের বিখ্যাত উপন্যাস “দেবী চৌধুরানী”– এর নায়িকা দেবী চৌধুরানী তথা প্রফুল্ল ছিলেন বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের মানুষ। রংপুরের পীরগাছার একটি স্থানের নাম হচ্ছে চৌধুরানী। সকলে ঐ স্থানটিকে দেবী চৌধুরানীর জন্মস্থান বলেই জানে। ধারণা করা হয়, চৌধুরানীর নাম অনুসারে জায়গাটির নামকরণ করা হয়েছে।
দেবী চৌধুরানীর গুরু ভবানী পাঠকও ছিলেন এই অঞ্চলের মানুষ। শুনতে পাওয়া যায়, বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় ভবানী পাঠকের জন্ম হয়েছিল।
দেবী চৌধুরানী নৌকাযোগে এই অঞ্চলে দাপটের সাথে বিচরণ করতেন। তিনি যেখানে যেখানে বিচরণ করতেন এবং সাময়িক যাত্রা বিরতি দিতেন, সেখানেই একটি করে মন্দির গড়ে তুলতেন। এই মন্দির গুলো তাঁর অনুগত ডাকাতদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করত।
ছবি যে দুইটি মন্দির দেখা যাচ্ছে, কথিত আছে, এগুলো দেবী চৌধুরানীই তৈরি করেছিলেন। এগুলোর অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলাস্থ নাগেশ্বরী উপজেলায়।
মন্দির দুইটির একটি (প্রথম তিনটি ছবি) শুধুমাত্র এককক্ষ বিশিষ্ট সরলভাবে তৈরি। আর অপর মন্দিরটি একটু বড় ধরণের, সামনে প্রশস্থ দেয়াল ও দুই কক্ষবিশিষ্ট। প্রথম মন্দিরটির চূড়া দ্বিতীয় মন্দিরটি হতে অপেক্ষাকৃত একটু লম্বা। কিন্তু প্রথম মন্দিরটির আকার ছোট হলেও দ্বিতীয়টি অপেক্ষাকৃত বড়।
এখানকার মানুষের মুখে শুনতে পাওয়া যায়, দেবী চৌধুরানীর অনুগত ডাকাতরা, দেবী চৌধুরানীর মৃত্যুর পর, এসব মন্দিরে অবস্থান করে ডাকাত হতে সাধুতে পরিণত হয়। তারা এসব মন্দিরে অবস্থান করত, এবং সাধুদের মতো জীবন যাপন করত। তবে এলাকায় কারও বাড়িতে কোন অনুষ্ঠান হলে তারা দলবেধে সেই বাড়িতে গিয়ে খাবার খেত এবং আসার সময় কিছু টাকা নিয়ে আসত।
অতীতের সাথে জড়িয়ে থাকা এই মন্দির দুইটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত শোচনীয়। মন্দিরের গায়ে বিশাল বিশাল বট, পাকুড় গাছ জন্মেছে। আশেপাশে ফার্ন জাতীয় গাছ, শেওলা জন্মেছে। আস্তে আস্তে মন্দিরের গায়ের ইট খসে পড়ছে এবং কোন কোন জায়গায় দেয়াল ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এসব দেখবার কেউ নেই। শীঘ্রই ধ্বংস প্রাপ্ত হতে চলেছে ব্রিটিশবিরোধী যোদ্ধা দেবী চৌধুরানী নির্মিত এই মন্দির দুটি।

স্থানের নাম হচ্ছে চৌধুরানী। সকলে ঐ স্থানটিকে দেবী চৌধুরানীর জন্মস্থান বলেই জানে। ধারণা করা হয়, চৌধুরানীর নাম অনুসারে জায়গাটির নামকরণ করা হয়েছে।
দেবী চৌধুরানীর গুরু ভবানী পাঠকও ছিলেন এই অঞ্চলের মানুষ। শুনতে পাওয়া যায়, বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় ভবানী পাঠকের জন্ম হয়েছিল।
দেবী চৌধুরানী নৌকাযোগে এই অঞ্চলে দাপটের সাথে বিচরণ করতেন। তিনি যেখানে যেখানে বিচরণ করতেন এবং সাময়িক যাত্রা বিরতি দিতেন, সেখানেই একটি করে মন্দির গড়ে তুলতেন। এই মন্দির গুলো তাঁর অনুগত ডাকাতদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করত।
ছবি যে দুইটি মন্দির দেখা যাচ্ছে, কথিত আছে, এগুলো দেবী চৌধুরানীই তৈরি করেছিলেন। এগুলোর অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলাস্থ নাগেশ্বরী উপজেলায়।
মন্দির দুইটির একটি (প্রথম তিনটি ছবি) শুধুমাত্র এককক্ষ বিশিষ্ট সরলভাবে তৈরি। আর অপর মন্দিরটি একটু বড় ধরণের, সামনে প্রশস্থ দেয়াল ও দুই কক্ষবিশিষ্ট। প্রথম মন্দিরটির চূড়া দ্বিতীয় মন্দিরটি হতে অপেক্ষাকৃত একটু লম্বা। কিন্তু প্রথম মন্দিরটির আকার ছোট হলেও দ্বিতীয়টি অপেক্ষাকৃত বড়।
এখানকার মানুষের মুখে শুনতে পাওয়া যায়, দেবী চৌধুরানীর অনুগত ডাকাতরা, দেবী চৌধুরানীর মৃত্যুর পর, এসব মন্দিরে অবস্থান করে ডাকাত হতে সাধুতে পরিণত হয়। তারা এসব মন্দিরে অবস্থান করত, এবং সাধুদের মতো জীবন যাপন করত। তবে এলাকায় কারও বাড়িতে কোন অনুষ্ঠান হলে তারা দলবেধে সেই বাড়িতে গিয়ে খাবার খেত এবং আসার সময় কিছু টাকা নিয়ে আসত।
অতীতের সাথে জড়িয়ে থাকা এই মন্দির দুইটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত শোচনীয়। মন্দিরের গায়ে বিশাল বিশাল বট, পাকুড় গাছ জন্মেছে। আশেপাশে ফার্ন জাতীয় গাছ, শেওলা জন্মেছে। আস্তে আস্তে মন্দিরের গায়ের ইট খসে পড়ছে এবং কোন কোন জায়গায় দেয়াল ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এসব দেখবার কেউ নেই। শীঘ্রই ধ্বংস প্রাপ্ত হতে চলেছে ব্রিটিশবিরোধী যোদ্ধা দেবী চৌধুরানী নির্মিত এই মন্দির দুটি।