ঢাকা।।

মহান স্বাধীনতা দিবস এবং ১৯৭১ সালের ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা প্রদর্শণ, ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ও অসহযোগ আন্দোলন ঘোষণার মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলার শাসনের কর্তৃত্বভার গ্রহণ, ৯ মার্চ মাওলানা ভাসানীর বঙ্গবন্ধুর প্রতি সমর্থণ জ্ঞাপন, ১৯ মার্চ জয়দেবপুর ক্যান্টনমেন্টের বাঙালি অফিসার-সৈনিকদের বিদ্রোহ, ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলণ, ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকহানাদার বাহিনীর গণহত্যা চালু, ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ও পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের ঘটনাসহ অগ্নিঝরা মার্চের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ আজ শনিবার বিকাল ৩ টায় নগরীর শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপকি রাশেদ খান মেনন এমপি, সাম্যবাদী দলের (মা-লে) সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, জাতীয় পার্টি (জে-পি) এর মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ড. শাহদাৎ হোসেন, বাসদ (খা) এর আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান, ন্যাপ (মো) এর সভাপতিমন্ডলির সদস্য আব্দুর রশিদ সরকার।

দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, স্থায়ী কমিটির সদস্য মীর হোসাইন আখতার, নাদের চৌধুরী, নুরুল আখতার, সহ-সভাপতি আফরোজা হক রীনা, শফি উদ্দিন মোল্লা, শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চুন্নু, নইমুল আহসান জুয়েল, রোকনুজ্জামান রোকন, জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশ এর সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আহসান হাবীব শামীম প্রমূখ।

সভাপতির ভাষণে হাসানুল হক ইনু এমপি ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা মার্চের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুসহ মার্চের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর নায়কদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা অস্বীকার করার দিন শেষ। তিনি বলেন, মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা-বিএনপি-জামাত তথা পাকিস্তানপন্থার রাজনীতির পরাজয় ঘটেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির নিজেদের ভুল-বিভ্রান্তি-অনৈক্যের সুযোগে ফাঁক-ফোকর দিয়ে যেন পাকিস্তানপন্থার রাজনীতি ফিরে না আসে তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।

জনাব হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, স্বাধীনতার সুফল-উন্নয়নের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হলে দলবাজী-ক্ষমতাবাজী-প্রশাসনের ক্ষমতার অপব্যবহার-দুর্নীতি বন্ধ করে আইনের শাসন-সুশাসন-সমাজতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে হবে।