ঢাকা।।
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থতার মধ্যেই আবারো প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। শোনা যাচ্ছে, ঈদের আগেই উন্নত চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তির ব্যবস্থা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে পাঠানো হতে পারে। আর এ নিয়ে রাজনৈতিক মাঠে চলছে নানা তৎপরতা। পর্দার আড়ালে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে সরকার ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতার চেষ্টাও চলছে। তবে এ ব্যাপারে দুপক্ষের কেউ গণমাধ্যমে সরাসরি কোন মন্তব্য করেনি। এ ব্যাপারে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, উন্নত চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি নিয়ে ঈদের আগেই সৌদি আরব অথবা যুক্তরাজ্য যাবেন খালেদা জিয়া। সরকারের সঙ্গে বিএনপির এ নিয়ে একটা সমঝোতা প্রক্রিয়া চলছে। এর আগে গত ১৫ মার্চ বিএনপির দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে গিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে এ প্রস্তাব দেন। তাছাড়া এই বিষয়টি নিয়ে গত ৩১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। ওই বৈঠকে দলীয় নেতারা চেয়ারপারসনের প্যারোল নিশ্চিত করতে কূটনীতিকদের সহায়তা চান। এ ব্যাপারে সূত্র আরও বলছে, ‘সমঝোতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য নতুন মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এ বোর্ডে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক তথা খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ডা. মামুনকেও রাখা হয়েছে। এখান থেকেই তাকে বিদেশে পাঠানো হবে।’ এ সময় অন্য আরেকটি সূত্র বলছে, বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য দলীয় চেয়ারপাসনের মুক্তি মিললে শপথ নিতে পারেন বিএনপির ছয় সংসদ সদস্য। এরকমই একটি সমঝোতার পথে হাঁটছে সরকার ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। তবে সবকিছু স্পষ্ট হতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে। এদিকে জানা গেছে, দলটির নীতিনির্ধারকদের কাছে এখন এক নম্বর এজেন্ডা হচ্ছে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরাও চান এটি। তাছাড়া দলটির নেতারা মনে করেন, আইনি প্রক্রিয়ায় চেয়ারপারসনের মুক্তি আরও বিলম্ব হতে পারে। তাছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আইনি প্রক্রিয়ায় কিংবা রাজপথের কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে চাপে ফেলে চেয়ারপারসনকে মুক্ত করা কঠিন। এতে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
এর জন্য যে কোনো মূল্যে চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসার উদ্যোগ নিচ্ছেন তারা। এর অংশ হিসেবে নেপথ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির দুই নেতা। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে কয়েক দফা বৈঠকও হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার সঙ্গে। সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তারা।
"/>

উন্নত চিকৎসার জন্য বিদেশ যাচ্ছেছে খালেদা জিয়া

4 April, 2019 : 12:53 pm ১৫১
ঢাকা।।
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থতার মধ্যেই আবারো প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। শোনা যাচ্ছে, ঈদের আগেই উন্নত চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তির ব্যবস্থা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে পাঠানো হতে পারে।
আর এ নিয়ে রাজনৈতিক মাঠে চলছে নানা তৎপরতা। পর্দার আড়ালে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে সরকার ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতার চেষ্টাও চলছে। তবে এ ব্যাপারে দুপক্ষের কেউ গণমাধ্যমে সরাসরি কোন মন্তব্য করেনি।
এ ব্যাপারে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, উন্নত চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি নিয়ে ঈদের আগেই সৌদি আরব অথবা যুক্তরাজ্য যাবেন খালেদা জিয়া। সরকারের সঙ্গে বিএনপির এ নিয়ে একটা সমঝোতা প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে গত ১৫ মার্চ বিএনপির দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে গিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে এ প্রস্তাব দেন।
তাছাড়া এই বিষয়টি নিয়ে গত ৩১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। ওই বৈঠকে দলীয় নেতারা চেয়ারপারসনের প্যারোল নিশ্চিত করতে কূটনীতিকদের সহায়তা চান।
এ ব্যাপারে সূত্র আরও বলছে, ‘সমঝোতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য নতুন মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এ বোর্ডে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক তথা খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ডা. মামুনকেও রাখা হয়েছে। এখান থেকেই তাকে বিদেশে পাঠানো হবে।’
এ সময় অন্য আরেকটি সূত্র বলছে, বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য দলীয় চেয়ারপাসনের মুক্তি মিললে শপথ নিতে পারেন বিএনপির ছয় সংসদ সদস্য। এরকমই একটি সমঝোতার পথে হাঁটছে সরকার ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। তবে সবকিছু স্পষ্ট হতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে।
এদিকে জানা গেছে, দলটির নীতিনির্ধারকদের কাছে এখন এক নম্বর এজেন্ডা হচ্ছে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরাও চান এটি।
তাছাড়া দলটির নেতারা মনে করেন, আইনি প্রক্রিয়ায় চেয়ারপারসনের মুক্তি আরও বিলম্ব হতে পারে। তাছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আইনি প্রক্রিয়ায় কিংবা রাজপথের কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে চাপে ফেলে চেয়ারপারসনকে মুক্ত করা কঠিন। এতে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
এর জন্য যে কোনো মূল্যে চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসার উদ্যোগ নিচ্ছেন তারা। এর অংশ হিসেবে নেপথ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির দুই নেতা। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে কয়েক দফা বৈঠকও হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার সঙ্গে। সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তারা।

[gs-fb-comments]