সংবাদাতা।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের নাম পরিবর্তন হয়ে এখন হয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলারেল হাসপাতাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। নাম পরিবর্তন হলেও অধিকাংশ বিষয়ে অনিয়ম ঠিকই রয়ে গেছে।
হাসপাতালে বহিঃবিভাগে দুপুর ১টার পর চিকিৎসক থাকে না বললেই চলে, বায়োমেট্রিক হাজিরায় বেলায় তাদের ঠিকই পাওয়া যায়। কয়েকজন আবার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্ড দেন রোগীদের। কয়েকজন চিকিৎসকের দূর্ব্যবহার চরম আকার ধারণা করেছে। এক চিকিৎসক তো চেয়ার নিয়ে আসলেন নারী রোগিকে প্রহার করতে। এক আরএমও শুধু আসেন বায়োমেট্রিক হাজিরা দিতে।
জরুরী বিভাগের গেইট দিয়ে ঢুকেই ডানপাশে পড়ে ১০৭নং কক্ষ। দিনের বেলায় এই কক্ষের সামনে দিয়ে গেলেই বের হয় শুধু সিগারেটের গন্ধ। কয়েকজন চিকিৎসক তো রোগী ফেলেই এই কক্ষে আসেন ধুমপান করতে। চিকিৎসকরা ধুমপান করুক তাতে আপত্তি থাকার কথা না। তাই বলে হাসপাতালে ঢুকার পরের কক্ষেই কেন? তাহলে চিকিৎসকদের প্রতি রোগীর ধারণা কি হতে পারে? এই কক্ষে নাকি রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিউটি করেন। আর হাসপাতালের দালাল ও জরুরী বিভাগে ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের উৎপাত তো প্রতিদিনের চিত্র।
এছাড়াও আছে আরো অনেক বিষয়। হাসপাতালের এসব বিষয় ছাড়াও অনেক বিষয় নিয়ে বহুবার সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। কিছুদিন পূর্বেও এক চিকিৎসককে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার পরেও সরকারি অফিসের সময়ে তিনি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ঠিকই দিচ্ছেন।
সাংবাদিকদের কাজ সংবাদ প্রকাশ করা কিন্তু কর্তৃপক্ষ কেন অনিয়ম গুলো নিয়ে চুপ থাকেন?