ঢাকা।।
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলায় নিহত জায়ানকে (৮) ঢাকার বনানীতে সমাহিত করা হয়েছে। বুধবার বাদ আসর বনানীতে চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। এর আগে দুপুর ১টার দিকে শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জায়ানের মরদেহ রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে বিমানবন্দর থেকে জায়ানের লাশ সরাসরি বনানীর ২ নম্বর রোডের ৯ নম্বরে তার নানার (শেখ সেলিম) বাসভবনে নিয়ে আসা হয়। রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেই বাড়িতে জায়ানকে শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাত ভাই শেখ সেলিম। তাই পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা হতো শিশু জায়ানের। তার মৃত্যুতে দাগ কেটেছে প্রধানমন্ত্রীর। এজন্য গতকাল মঙ্গলবার ব্রুনাই সফর থেকে ফিরে বিমানবন্দরেই শেখ সেলিমের কাঁধে হাত রেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত রোববার শ্রীলঙ্কার তিন গির্জা ও তিন হোটেলসহ আটটি স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়। এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জনই শিশু, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের শিশু জায়ান চৌধুরী। এ ঘটনায় আহত  হয় অন্তত পাঁচ শতাধিক।
"/>

চির নিদ্রায় সমাহিত হলেন জায়ান

24 April, 2019 : 4:00 pm ১০৯
ঢাকা।।
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলায় নিহত জায়ানকে (৮) ঢাকার বনানীতে সমাহিত করা হয়েছে।

বুধবার বাদ আসর বনানীতে চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

এর আগে দুপুর ১টার দিকে শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জায়ানের মরদেহ রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে বিমানবন্দর থেকে জায়ানের লাশ সরাসরি বনানীর ২ নম্বর রোডের ৯ নম্বরে তার নানার (শেখ সেলিম) বাসভবনে নিয়ে আসা হয়। রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেই বাড়িতে জায়ানকে শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাত ভাই শেখ সেলিম। তাই পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা হতো শিশু জায়ানের। তার মৃত্যুতে দাগ কেটেছে প্রধানমন্ত্রীর। এজন্য গতকাল মঙ্গলবার ব্রুনাই সফর থেকে ফিরে বিমানবন্দরেই শেখ সেলিমের কাঁধে হাত রেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, গত রোববার শ্রীলঙ্কার তিন গির্জা ও তিন হোটেলসহ আটটি স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়। এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জনই শিশু, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের শিশু জায়ান চৌধুরী। এ ঘটনায় আহত  হয় অন্তত পাঁচ শতাধিক।

[gs-fb-comments]