ঢাকা।।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাসের শতকরা হার ৮২ দশমিক ২০। এ বছর জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৯৪ জন। ২০১৮ সালে এই পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।

সোমবার বেলা ১১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির হাতে পরীক্ষার ফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। পরে সেখানেই ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রী। বেলা ১২টা থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

প্রথা অনুসারে প্রতিবার ফল ঘোষণার দিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেওয়া হয়। পরে দুপুরের দিকে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু এবারে প্রধানমন্ত্রী লন্ডন সফরে থাকায় শিক্ষামন্ত্রীর হাতেই ফল তুলে দেওয়া হবে। তবে ফল প্রকাশ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাণী পাঠ করে শোনান শিক্ষামন্ত্রী।

এ বছর শুধু এসএসসিতে পাসের হার ৮২.৮০ শতাংশ। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার্থী ছিল ১৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫২ জন। যা গত বছর ছিল ১৬ লাখ ২৪ হাজার ৪২৩ জন। বেড়েছে ৭০ হাজার ২২৯ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৪ লাখ ৩ হাজার ১৫৭ জন। গত বছর পাস করেছিল ১২ লাখ ৮৯ হাজার ৮০৫ জন। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন। গত বছর ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৮৪৫ জন।

এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ৯০.৮৮, ঢাকা বোর্ডে ৭৯.৬২, রাজশাহী বোর্ডে ৯১. ৬৪, দিনাজপুর কোর্ডে ৮৪.১০, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭৮.১১, সিলেট বোর্ডে ৭০.৮৩, বরিশাল বোর্ডে ৭৭.৪১, কুমিল্লা বোর্ডে ৮৭. ১৬ শতাংশ পাস করেছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৭২.২৪ শতাংশ । যা গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ বছর পাসের হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪ হাজার ৭৫১ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪১৩ জন।

আর মাদ্রাসা বোর্ডে ৮৩.০৩ শতাংশ পাস করেছে। যা গত বছর ছিল ৭০. ৮৯ শতাংশ। এ বছর পাসের হার বেড়েছে ১২.১৪। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৬ হাজার ২৮৭ জন। গত বছর পেয়েছিল ৩ হাজার ৩৭১ জন।

এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী ও ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র।

শিক্ষামন্ত্রী ফল ঘোষণা করে বলেন, এবার মোট পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। এবার পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা-২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ মার্চ।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৬ মার্চ।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি।