ডেস্ক।।
জানুয়ারির (১৯৬৮) প্রথম সপ্তাহে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার একটা অভাবনীয় তথ্য প্রকাশ করে; তথ্যের সারকথা হলাে, শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন রাজনীতিক, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গুটিকয় সাধারণ সৈনিক সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন (যা আগরতলা ষড়যন্ত্র হিসেবে খ্যাত),তাঁদের সেই অপচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে। এই মিথ্যে অভিযােগের প্রেক্ষিতে শেখ মুজিবসহ মােট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কুর্মিটোলা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে বিচারকার্য শুরু করা হয়।

প্রিয় নেতাদের মিথ্যেষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসানাে হচ্ছে, এটা বুঝতে পেরে বাঙালি জাতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং স্বৈরাচারী আইয়ুবের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরােধ গড়ে তােলে। ‘কুর্মিটোলা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে যখন চলছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারের প্রহসন, বাইরে তখন আগুনের ফুলকি হয়ে জ্বলছিল মানুষের বিক্ষোভ। মিছিলে মিছিলে প্রকম্পিত রাজপথ, ছাত্রদের সভা-সমিতি এবং বুকফাটা শ্লোগানে প্রতিবাদের ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়ে পৌছে যায় গ্রামে-গঞ্জে। ১৪৪ ধারা জারি, গুলি, নির্যাতন, গ্রেপ্তার সেই তােপের মুখে ফুঙ্কারে উড়ে যায়। সরকার যতই ঘােষণা করে যে, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পাকিস্তানকে দ্বি-খণ্ডিত করতে চায়, ততই ফুসে ওঠে মানুষ। খুলে ফেলতে চায় ধোকাবাজ, প্রতারক লুটেরা শাসকের মুখােশ।’ (উনসত্তরের গণআন্দোলন : সেলিনা হােসেন, ভাষা-শহীদ গ্রন্থমালা, ১৯৮৫)।

বাঙালি নেতাদের ওপর যখন ভয়াবহ দমন-পীড়ন চলছিল, তখন আইয়ুব শাসনামলের দশ বছর (২৭ অক্টোবর ১৯৫৮-২৭ অক্টোবর ১৯৬৮) পূর্তি উপলক্ষে ২৭ অক্টোবর ‘৬৭ থেকে এক বছরব্যাপী জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা হাতে নেয়া হয়। আইয়ুবের ‘অভাবনীয় সাফল্যগাথা তুলে ধরে বিভিন্ন পত্রিকা, বেতার, টেলিভিশন, স্ট্যাম্প, টেলিগ্রাম, মানি অর্ডার ফরম ইত্যাদিতে ব্যাপক প্রচারণা চালানাে হতে থাকে। ২৭ অক্টোবর ‘৬৮, মাত্র একদিনে করাচির ‘ডন’ পত্রিকার বিভিন্ন পাতায় আইয়ুবের ১০১টি ছবি ছাপানাে হয়। ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীগণ প্রেসিডেন্টের গুণগান গেয়ে সেমিনার, সিম্পােজিয়ামের আয়ােজন করতে থাকেন; এরই অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তােষামােদির চরম সীমা অতিক্রম করে মন্তব্য করেছিলেন, ‘আইয়ুব খান হলেন আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ।’ ‘আইয়ুবি উন্নয়ন দশক’ পালন প্রসঙ্গে একজন বাঙালি রাজনীতিকের বিশ্লেষণ এরকম : ‘মিথ্যা অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশই এই অনুষ্ঠানের ভিত্তি। বশংবদ ভৃত্যের দল সমস্ত কাজ বাদ দিয়ে এই পর্বের আলােচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল।… অফিস-আদালত, দালান-কোঠা, ট্রেনবাস এমনকি মানুষের বুকে-পিঠে এই ছাপ (উন্নয়ন দশকের) লাগিয়ে দেওয়া হলাে। রেডিও, টেলিভিশন খােলা যায় না, বিসমিল্লাতেই আইয়ুবের নাম উচ্চারণ করে শুরু করা হয় নির্লজ্জ প্রচারের তুবড়ি’ (স্বৈরাচারের দশ বছর : আতাউর রহমান খান, পৃ. ৪২৩)।

এদিকে পশ্চিম পাকিস্তানে সংঘটিত কয়েকটি ঘটনা আইয়ুববিরােধী পূর্ব বাংলার আন্দোলনকে নতুন গতিদান করে। মাদক চোরাচালান সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে পশ্চিম পাকিস্তানে ছাত্রবিক্ষোভ শুরু হয় ৬ নভেম্বর। ৭ নভেম্বর ছাত্রদের আমন্ত্রণে রাওয়ালপিন্ডিতে আসা ভুট্টোকে বক্তৃতাদানে বাধা দেয় পুলিশ। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ছাত্ররা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে গুলি চালায় পুলিশ। তখন আবদুল হামিদ নামের একজন ছাত্র নিহত হয়। এর প্রতিবাদে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্দোলনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সরকার তখন বাধ্য হয়ে সব স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেয়। তাতেও প্রত্যাশিত ফল না আসায় আর্মি ডেকে সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। ১০ নভেম্বর পেশােয়ারের এক সভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় আইয়ুবকে লক্ষ্য করে গুলি ছােড়ে হাসিম উমর যাই নামের এক ছাত্র, তার গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল বটে, তবে এ ঘটনার সূত্র ধরে পশ্চিম পাকিস্তানের ছাত্রদের ওপরও ব্যাপক নির্যাতন চলতে থাকে। এই ইস্যুটি কাজে লাগায় পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ, তারা পশ্চিমের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে (১৯ নভেম্বর ‘৬৮)। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্তদের গােপন বিচার প্রক্রিয়া, বাঙালি জাতিকে নিরন্তর নির্যাতন-শােষণ, বেতার ও টিভিতে কড়াকড়িভাবে রবীন্দ্ৰবৰ্জন, বাংলা ভাষা-সংস্কারে তথাকথিত সরকারি উদ্যোগ ইত্যাদি অপচেষ্টা পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজকে অভিন্ন বিন্দুতে নিয়ে আসে।

আন্দোলনের মতাে ও পথ ভুলে গােটা ছাত্রসমাজ শেখ মুজিব কর্তৃক ইতঃপূর্বে উত্থাপিত ছয় দফাতে যােজন-বিয়ােজন ঘটিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে। ওই ১১ দফাভিত্তিক ছাত্র আন্দোলনের একপর্যায়ে ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে শাহাদতবরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র এবং ছাত্র ইউনিয়নের নেতা আসাদুজ্জামান। আসাদের মৃত্যুসংবাদ দাবানলের মতাে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে, শহর থেকে গ্রামান্তরে। ছাত্র-জনতা জাগতে শুরু করে অবিনাশী চেতনায়। ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ ঢাকায় আসেন আইয়ুব খান এবং আলাপ আলােচনার প্রস্তাব দেন। ছাত্র-জনতা সাফ সাফ জানিয়ে দেয়, শেখ মুজিব ও অন্য নেতৃবৃন্দকে কারাগারে রেখে তারা কোনাে আলােচনায় বসবেন না। অনেক দেন-দরবার করেও রাজনৈতিক অচলাবস্থার সামান্য অগ্রগতি ছাড়াই আইয়ুব খান ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ত্যাগ করেন। এর দুদিন পর, ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে আটক অবস্থায় হত্যা করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহাকে। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সান্ধ্য আইন ভেঙে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং আইয়ুববিরােধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে। এবার আইয়ুব নতুন ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার অপশাসনের বিরুদ্ধে গঠিত সর্বদলীয় ‘ডেমােক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি’ (সংক্ষেপে ডাক)-এর নেতৃবৃন্দের সাথে আলােচনা করার প্রস্তাব দেন। সমস্যা দেখা দেয় মুজিবের অংশগ্রহণ নিয়ে।
শেখ মুজিব ততদিনে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে বন্দি, নির্যাতনের শিকার ও বিচারের সম্মুখীন। মুজিববিহীন যে কোনাে রাজনৈতিক বৈঠক যে অর্থহীন, সে কথা সরকার ও সরকারবিরােধী উভয় শিবিরেই উপলব্ধ। সেই বিবেচনায় তাকে জামিনে মুক্তি দিয়ে প্রস্তাবিত বৈঠকে অংশগ্রহণের সুযােগ দানের পাঁয়তারা চলে। তাতে বাদ সাধেন মুজিব স্বয়ং ও তাঁর দল আওয়ামী লীগ। অস্বীকৃত হয় জামিনে মুক্তি। সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় আইয়ুব খান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অভিযুক্ত সকল আসামিকে মুক্তি প্রদানের ঘােষণা দেন।’ (মুক্তিযুদ্ধ জনযুদ্ধ ও রাজনীতি : মজিবর রহমান, পৃ. ১৭)। ২১ ফেব্রুয়ারির গভীর রাতে শেখ মুজিবসহ অন্য রাজবন্দিদের মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি পাওয়ার পরপরই তিনি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত ১১ দফা দাবির প্রতি জোরালাে সমর্থন দেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে রমনার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সােহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল গণসংবর্ধনার আয়ােজন করা হয় এবং ওই সভায় তৎকালীন ডাকসু’র সহ-সভাপতি তােফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর থেকে বাংলার জনগণের কাছে শেখ মুজিবুর রহমান নাম ছাপিয়ে বঙ্গবন্ধু’ উপাধিটি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে। আইয়ুব-আহৃত প্রস্তাবিত গােলটেবিল বৈঠকটি দুটি পর্বে বিভক্ত করা হয়েছিল। প্রথম পর্ব শুরু হয় ২৬ জানুয়ারি ‘৬৯ থেকে। পরের পর্ব ১০ মার্চ থেকে।

বেশ ক’জন রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সে বৈঠকে যোেগ দেন। পূর্ব বাংলা থেকে আরাে যােগ দিয়েছিলেন ন্যাপের অধ্যাপক মােজাফফর আহমদ, বিচারপতি এস, এম, মাের্শেদ প্রমুখ। মওলানা ভাসানী সেই বৈঠকে যােগদান করা থেকে বিরত থাকেন। সম্মেলনে ‘কমন চার্টার অব ডিমান্ড’-এ শেখ মুজিবের ছয় দফার অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে তীব্র মতবিরােধ দেখা দেয়। অনেক তর্ক-বিতর্কের পর সিদ্ধান্ত হয়, ‘ডাক’-এর সদস্যভুক্ত দলগুলাে আলাদাভাবে নিজ নিজ দাবি উত্থাপন করতে পারবে। আর এমনই সুযােগের অপেক্ষায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দ্বিতীয় পর্বের বৈঠকে সবার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জনসাধারণের রাজনৈতিক অধিকার বিলুপ্তির প্রশ্নটি আজ কয়েক দফায় সুস্পষ্ট দাবির আকারে প্রকাশ পাইয়াছে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজের ১১ দফা ও আওয়ামী লীগের ৬ দফা কর্মসূচিতে।… ছাত্রদের যে ১১ দফা কর্মসূচির প্রতি আমি সমর্থন জানাইয়াছি, তাহাতে দেশের অর্থনৈতিক ও শিক্ষা পদ্ধতি পুনর্বিন্যাসের যথােপযুক্ত প্রস্তাব রহিয়াছে। এ দাবি তাহারা তুলিয়াছে অর্থনৈতিক সুবিচারের নিশ্চয়তা বিধানেরই মানসে।’ শেষ পর্যন্ত ওই গােলটেবিল বৈঠক ব্যর্থ হয়, শেখ মুজিব ‘ডাক’-এর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উদ্ভূত জটিল পরিস্থিতিতে ২৫ মার্চ (১৯৬৯) প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান এবং দেশ শাসনের সর্বময় ক্ষমতা সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের হাতে তুলে দেন।

| [বি. দ্র : পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে জনসংখ্যার অনুপাত ৫৫ ঃ ৪৫ হলেও, ১৯৬৬ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় (Verminder Grover (ed) Encyclopedia of SAARC Nations; Bangladesh, page.19)। তখন পূর্ব পাকিস্তানি গেজেটেড কর্মকর্তা ছিলেন ১,৩৩৮ জন, পশ্চিম পাকিস্তানি ছিলেন ৩,৭০৮ জন। নন-গেজেটেড কর্মচারী ছিলেন যথাক্রমে ২৬,৩১০ জন এবং ৮২,৯৪৪ জন। ১৯৬৮ সালে কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সেক্রেটারি পদে পূর্ব পাকিস্তানিদের অবস্থানের হার ছিল ১৪%, জয়েন্ট সেক্রেটারি ৬%, ডেপুটি সেক্রেটারি ১৮%, আন্ডার সেক্রেটারি ২০%। ‘৫৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সেনাবাহিনীর লে. জেনারেল ও মে, জেনারেল পদে বাঙালি অফিসার ছিলেন না, ব্রিগেডিয়ার পদে ছিলেন ২.৮৫%, কর্নেল পদে ২%, লে. কর্নেল পদে ১.৩৩%, মেজর পদে ১.৬৬%, নৌবাহিনীর মােট অফিসার পদের ১.১৬%, বিমানবাহিনীতে ৮.৫৭%। ১৯৬২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ফরেন সার্ভিস ক্যাডারে বাঙালি কর্মকর্তা ছিলেন ২০.৮%। ১৯৬৮-৬৯ সময়কালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাগত হার ছিল প্রাইমারি স্কুল যথাক্রমে ২৮,৩০৮টি ও ৩৯,৪১৮টি, সেকেন্ডারি স্কুল যথাক্রমে ৩৯৬৪টি ও ৪৪৭২টি, কলেজ ১৬২টি ও ২৭১টি, মেডিক্যাল-ইঞ্জিনিয়ারিং-কৃষি কলেজ যথাক্রমে ৯টি ও ১৭টি, বিশ্ববিদ্যালয় যথাক্রমে ৪টি ও ৬টি।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সত্য অসত্য অর্ধসত্য-বিনয় মিত্র
#সংগ্রামের_নোটবুক #আগরতলা_ষড়যন্ত্র_মামলা।