এবার আড়ংয়ের বিরুদ্ধে ভ্যাট বা মূসক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ

4 June, 2019 : 10:21 am ৮৭

ঢাকা।।

এবার আড়ংয়ের বিরুদ্ধে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট বা মূসক) ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আড়ংয়ের গুলশান শাখা পণ্য বিক্রয় ও পণ্য মজুদের বিপরীতে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব র্বোডের (এনবিআর) এক নিরীক্ষায় কর ফাঁকির এ তথ্য উঠে এসেছে।

এনবিআরের নিরীক্ষায় দেখা যায়, আড়ংয়ের গুলশান শাখা ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকার পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদান করেছে। সেই সঙ্গে অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৭৫ কোটি টাকার পণ্য মজুদ করেছে। পণ্য বিক্রয় ও মজুদ করা প্রায় ২০১ কোটি টাকার বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে মূসক প্রায় ১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। সুদ প্রায় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সুদসহ প্রতিষ্ঠানটির উৎসে মূসক ফাঁকির পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

অপরিশোধিত ভ্যাট পরিশোধে দেশের হস্ত ও কারুশিল্প ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আড়ংয়ের গুলশান শাখা এনবিআরের আওতাধীন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ) একটি ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান। সাপ্লাইয়ার ট্রেড হিসেবে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানটি রেডিমেড গার্মেন্ট সেলস সেন্টার হিসেবে ভ্যাট দিয়ে আসছে।

এনবিআরের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটি নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নিরীক্ষা শেষে আড়ংকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য শাখা মূসক ফাঁকি দিচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখছে এনবিআর।

এ বিষয়ে ভ্যাট দক্ষিণ কমিশনারেটের একজন কর্মকর্তা জানান, আড়ংয়ের শুধু গুলশান শাখা নয়, সব শাখার বিরুদ্ধে এনবিআরে ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ আছে। এনবিআরের নির্দেশে গুলশান শাখা নিরীক্ষা করা হয়। এতে বিপুল পরিমাণ ফাঁকি উদঘাটন করে নোটিশ দেয়া হয়েছে। বকেয়া পরিশোধ না করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আড়ংয়ের আরো ফাঁকি উদঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আড়ংয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা জানান, আড়ংয়ের বিষয়টি দেখেন তামারা হাসান আবেদ। তিনি দেশের বাইরে যাবেন। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যাচ্ছে না। আর ফাঁকির বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই। যদি নোটিশ জারি করা হয় তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে তারা।

[gs-fb-comments]