চট্টগ্রাম।।

মহানবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর ঈদের প্রবর্তন হয়। যারা এক মাস রোজা রেখে অভুক্ত থাকার কষ্ট অনুভব করেছেন এবং নামাজ, তারাবিহ, ইবাদত-বন্দেগি ও ইসলামের অনুশাসন পালন করেছেন, তাদের জন্য এই ঈদের আনন্দ বেশি উচ্ছ্বাসের ও শান্তির।

নগরের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে বুধবার (৫ জুন) ঈদুল ফিতরের জামাত শেষে খুতবায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মো. আলাউদ্দীন আল কাদেরী এ বয়ান করেন।

বয়ানে তিনি বলেন, মহান রাব্বুল আলামিনের মহাপুরস্কার হচ্ছে ঈদ। পবিত্র রমজানে বিত্তবানরা এগিয়ে এলে এবং দান-খয়রাত করলে, জাকাত ও ফিতরা প্রদান করলে দরিদ্ররা ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ঈদের খুতবায় দান-খয়রাতকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করতেন।

জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান। ছবি: উজ্জ্বল ধরঈদের দ্বিতীয় জামাত শেষে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আহমুদুল হক বয়ান করেন।

খুতবায় বলা হয়, ইসলাম শান্তির ধর্ম। দুশমনরা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মুসলমানদের কলংকিত করছে। আল্লাহ, এই কলংক থেকে আপনি বাংলাদেশকে এবং মুসলমানদেরকে রক্ষা করুন। আল্লাহ, আপনি এদেশের মানুষের শান্তি নাজিল করে দেন। বিশ্বের মুসলমানদের ওপর শান্তি নাজিল করে দেন।’

ঈদ জামাতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। ছবি: উজ্জ্বল ধরমাদক প্রতিরোধে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করে খুতবায় যুব সমাজকে মাদক গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।