রুপচান মিয়া প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হুন্ডি ব্যবসা করে কোটিপতি

28 June, 2019 : 7:30 am ১৩০

ব্রাক্ষণবাড়িয়া।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউপি এলাকার পাইকপাড়া গ্রামের রুপচাঁন মিয়া (ওরফে) ফরিদ মিয়া । ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের সুপার মার্কেট ও এফ এ টাওয়ারের ফারিয়া শাড়ি বিতানের মালিক রুপচাঁন । কাপড়ের রুপে নয়, অবৈধ হোন্ডি স্যান্ডিকেটেই সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রেমিটেন্স গিলেখেয়ে অল্পদিনে কোটিপতি বনে যান রুপচাঁন ।

বছর দশেক আগে জেলার আখাউড়া উপজেলার বাউতলা নামক ( ভারতীয় সীমান্ত) এলাকার পথদিয়ে শুরু হয় রুপচাঁনের হোন্ডি কালোবাজারির স্যান্ডিকেটের ব্যবসা । ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বামুঠিয়া এলাকার আন্তজার্তিক হোন্ডি পাচার চক্রের অন্যতম সদস্যও এই রুপচাঁন মিয়া ।

জানাযায়, সুপার মার্কেটের আলোচিত ব্যবসায়ী তপন রায়ের নাম আলোচিত হলেও মুঁখোশ দাড়ি গডফাদার হিসেবে সবসময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে অর্ধশত ব্যক্তিদের দিয়ে নিরবে অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা পাচারকরে অল্পদিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন হোন্ডির গডফাদার রুপচাঁন ।

মুদ্রাপাচারে বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সুপার মার্কেটের রানা ফার্মেসির মালিক তপন রায় একাধিকবার আটক হয়ে আলোচনায় আসলেও অন্তরালে একাধিকবার ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন রুপচাঁন মিয়া । জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের ভ্রাম্যমান আদালতের হাতে একাধিকবার আটক হয়েছেন রুপচান । আবার অভিযানে দৌড়ে পালিয়েও গিয়েছেন কয়েক বার । আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বিপুল পরিমান মুদ্রাসহ আটক হলেও রাজনৈতিক দলের কয়েকজন রাগব বোঁয়ালদের ছত্র ছাঁয়ায় তাদের তদবীরের সহজেই ছাড় পেয়ে যান রুপচান ।

রুপচাঁনের এই হোন্ডি স্যান্ডিকেটে রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক রাগব বোঁয়ালদের প্রশাসন ম্যানেজের তদবীর লবীং স্যান্ডিকেট ।

একাধিক কয়েকটি সূত্র: নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয় প্রসাশনকে রাজনীতিক রাগব বোঁয়ালদের দিয়ে তদবীর করিয়ে মাঁসোহারা দিয়েই’ চলে রুপচাঁনের অবৈধ হোন্ডির বাণিজ্য ।

সাম্প্রতিক সময়ে জেলা শহরের ডিসি বাংলোর পাশে দাতিয়ারা সড়কে কোটি টাকার জায়গায় প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যায়করে বিলাসবহুল বহুতল ভবন নির্মাণ করাসহ, সুপার মার্কেটে অর্ধ কোটি দিয়ে দোকান কোটা ক্রয় করাসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে নামে/বেনামে একাধিক জায়গা সম্পত্তির মালিক হয়ে গেছেন এই মুদ্রাপাচারের মুঁখোশদাড়ি গডফাদার রুপচাঁন মিয়া ( প্রকাশ) ফরিদ মিয়া ।

অপরদিকে অবৈধভাবে খোলাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের হার দিনদিন বেড়ে যাওয়ায়, সরকারের ব্যাংকখাতে বৈদেশিক মুদ্রার রেমিটেন্স আয় চলে যাচ্ছে কালোবাজারীদের পেটে ।

অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হোন্ডি স্যান্ডিকেটের মুঁখোশদাড়ি এই গডফাদার রুপচাঁন মিয়ার অবৈধ সম্পদ অর্জণের বিষয়ে কাস্টমস, আয়কর বিভাগ ও দুদকে তাকে আওতাভুক্ত করা হবে বলেও স্থানীয় পৃথক পৃথক সরকারের (রেভেনিও) দপ্তরিক সংস্থার প্রধানরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন ।

তবে এই বিষয়ে রুপচাঁন মিয়া ওরফে ফরিদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, থানায় প্রতিনিয়তই মোটা অংকের মাশোয়ারা দিচ্ছি। অন্যান্য স্থানেও দেওয়া হচ্ছে।

[gs-fb-comments]