ব্রাক্ষণবাড়িয়া।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে যাওয়ার পথে মিয়ানমারের দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দরের অভিবাসন পুলিশ তাদের আটক করে।

পাসপোর্টে উল্লেখিত তথ্যানুযায়ী আটক দুজন হলেন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিশা গ্রামের মো. হারুনের ছেলে মো. কামাল (২৩) ও রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার কালনপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে সাব্বির মোল্লা (২৫)।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হামিদ জানান, আটক কামালের পাসপোর্টটি নোয়াখালী থেকে এবং সাব্বিরের পাসপোর্টটি ঢাকা থেকে ইস্যু করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভারতে যাওয়ার জন্য কামাল কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এবং সাব্বির চট্টগ্রামের বাকুলিয়া এলাকা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছান। স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের আগরতলা যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে অভিবাসনে যান এ দুই রোহিঙ্গা। এ সময় সন্দেহ হলে স্থলবন্দরের অভিবাসনে থাকা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তারা তাঁদের আটক করেন। এ সময় সন্দেহ হলে তাঁদের আটক করে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল হামিদ বলেন, ‘তাঁরা আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ঢুকতে চেয়েছিলেন। তাঁদের পাসপোর্টে ভারত এবং মিয়ানমারের ভিসা রয়েছে। আমরা সাধারণত যাত্রীদের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার সময় নাম-ঠিকানা জিজ্ঞেস করে থাকি। তাঁদের ক্ষেত্রেও সেটি করা হয়। কিন্তু তাঁরা সঠিকভাবে নাম-ঠিকানা বলতে পারেননি।’

আবদুল হামিদ বলেন, কথা শুনে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁদের আটক করা হয়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামাল তাঁর মা-বাবাসহ কক্সবাজারের বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এবং সাব্বির চট্টগ্রামের বাকুলিয়া আবাসিক এলাকায় থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আটক দুজন কীভাবে বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং ভারতের ভিসা পেয়েছেন, সেটি বলা যাচ্ছে না। তাঁদের আখাউড়া থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রসুল আহমেদ জানান, আখাউড়া স্থলবন্দরের অভিবাসন পুলিশ সদস্যরা তাঁদের আটক করে। আটক দুই রোহিঙ্গা বাংলাদেশের রাজবাড়ী থেকে পাসপোর্ট করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।