নাসিরনগরে কথিত হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

16 September, 2019 : 11:15 am ১৫৬

নাসিরনগর  সংবাদদাতা।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার পূজা উদযাপন কমিটির কথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা অনাথ বন্ধু দাসের নামে বেশ কয়েকটি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে জানা যায়, গত ৩০ শে অক্টোবর ২০১৪ সালে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর পরই হিন্দুনেতা হিসাবে নিজেকে বিভিন্ন মাধ্যমে পরিচিতি করে অন্তরালে অপকর্ম করতে থাকে। তখন তথাকথিত হিন্দুনেতা আরালে নাসিরনগরকে অশান্তি করার চক্রটি নেতার সংগে জড়িত ছিল। তারা নিরিহ জনসাধারনের মধ্যে ভয়ভতি দেখায়ে তাদের স্বার্থ হাসিল করত। এমনি এক ব্যক্তি নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের বেঙ্গাউতা গ্রামের মৃত আব্দুল আহাদ(আবু) এর ছেলে মোঃ বাহার উদ্দিন নিরুপায় হয়ে গত ১১/০৯/১৯ খ্রিঃ নাসিরনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবে এসে অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলেন, অনাথ বন্ধু দাস মন্দির ভাঙ্গার মামলার তালিকায় নতুন একজনের নাম অন্তর্ভূক্ত করে দিবে বলে তার নিকট থেকে ২৫,০০০(পঁচিশ হাজার) টাকা নেয় এবং আরো দুইজনের নিকট থেকে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা নেয়্। কিন্তু নাম কর্তন ও অন্তর্ভূক্ত না করার টাকা প্রেরত চাহিলে এবং চাপ প্রয়োগ করলে সে দায়িত্বপ্রাপ্ত এস আই ও ওসি সাহেবসহ মন্দির ও পুজার কমিটির অন্য নেতাদেরকে টাকা দিয়েছে বলে জানায় এবং শীঘ্রই এ বিষয়টি সুরাহা হবে বলে আশ্বস্ত প্রদান করেন। তারপর আরও পাঁচ/ছয় মাস অতিক্রম হলে পূজা উদযাপন কমিটি ও গৌর মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদকের কাছে নালিশ করলে মন্দির কমিটির সেক্রেটারি অনেক চেষ্টার পরও টাকা প্রেরত দিতে পারেনি। এ ব্যাপারে মন্দিরে কমিটির ও উদযাপন কমিটির সেক্রেটারির সাথে আলাপকালে সত্যতা পাওয়া যায়। তাছাড়াও নাসিরনগর শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির ( অস্তিত্বহীন) নামে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্ধকৃত ১০,৩৪০ টাকার চেক নিজ নামের একাউন্টে সোনালী ব্যাংক নাসিরনগর শাখায় ২৩ /০৬/১৯ খ্রিঃ জমা দিতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি জবদ্ধ করেন। আবার উক্ত অস্তিত্বহীন মন্দিরের নামে ৫০০০০(পঞ্চাশ হাজার) টাকা, পশ্চিম পাড়ার মন্দিরের আশপাশের লোকের নাম না দিয়ে, বিভিন্ন পাড়া থেকে নাম অন্তর্ভূক্তি করে ৫ সদস্য তালিকা করে নিজে সেক্রেটারি হয়ে অর্থ আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে তালিকা প্রদান করে। এ ব্যাপারে অস্তিত্বহীন মন্দিরে আশপাশের লোকজনের সাথে আলাপকালে, তারা জানান, অনাথ ব্ন্ধু একটি নষ্ট লোক সে মন্ত্রীর নিকট থেকে শশ্মান উন্নয়ন নামে দুই/তিন বার প্রকল্প নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। যার কারনে এম পি থাকাকালীন সময় সে ডাকবাংলোতে যেতে পারত না। ৩০ অক্টোবরের পর সুযোগ পেয়ে মন্ত্রী মহোদ্বয়ের কাছে গিয়ে নেতা সেজে নানাহ অপকর্ম করছে। উক্ত মন্দিরে কি হচ্ছে আমরা জানি না। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী দৃষ্টান্তমুলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

[gs-fb-comments]