Brahmanbaria BGB
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামের ধনু মিয়ার মাটির ঘরে ‘ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাড়ি’ লিখে দিয়েছে বিজিবি। ছবি: সংগৃহীত
অপরদিকে, কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামের ধনু মিয়া ইয়াবাসহ আটকের পর তার মাটির ঘরের দেয়ালে ‘ইয়াবা ব্যবসায়ী’র বাড়ি লিখে দেওয়া হয়েছে। বিজিবির ওই কর্মকর্তা জানান, এখন থেকে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে কোনো ধরনের মানব পাচারকারী, মাদক পাচারকারী, বিক্রেতা কিংবা মাদকসেবী আটক হলেই তাদের বাড়িতে ‘চিহ্নিতকরণ সাইনবোর্ড’ লিখে দেওয়া হচ্ছে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ ধরনের অপরাধীদেরকে নিরুৎসাহিত করা ও তাদেরকে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করার পর যেনো সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে এজন্যই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিজিবি কর্মকর্তা আরো জানান, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মানব পাচারকারী, মাদক চোরাকারবারী এবং মাদক বিক্রেতাদের তালিকা করা হয়েছে। এসব তালিকা ধরে ক্রমান্বয়ে তাদের বাড়িও চিহ্নিত করা হবে।"/>

মাদক ব্যবসায়ী ও মানব পাচারকারীর বাড়ী চিহ্নিতকরন শুরু

23 September, 2019 : 8:44 am ১৬৭

ব্রাক্ষনবাড়িয়া।।

তিনজন বিদেশি নাগরিককে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তাকারীর বাড়ি ও একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে বড় অক্ষরে ‘মানব পাচারকারীর বাড়ি’ ও ‘ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাড়ি’ লিখে দিয়েছে বিজিবি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের ত্রিপুরা সীমান্তঘেঁষা ঘাগুটিয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের টিনের ঘরে ও কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামের ধনু মিয়ার মাটির ঘরের দেয়ালে লাল রঙে এসব লিখে দেন বিজিবি জওয়ানরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কবির আজ  জানান, গত ২৪ জুলাই রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঘাগুটিয়া এলাকার ২০১৮ মেইন সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের সময় ঘাগুটিয়া বিজিবি ক্যাম্পের টহলরত জওয়ানরা তিন নাইজেরীয় নাগরিককে আটক করে। ঘাগুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন ও তার স্ত্রী রত্না আক্তার বিদেশি নাগরিকদেরকে ওপারে পাচারের সঙ্গে জড়িত। এজন্য তাদের বাড়ি চিহ্নিত করে এটি লেখা হয়।

অপরদিকে, কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামের ধনু মিয়া ইয়াবাসহ আটকের পর তার মাটির ঘরের দেয়ালে ‘ইয়াবা ব্যবসায়ী’র বাড়ি লিখে দেওয়া হয়েছে।

বিজিবির ওই কর্মকর্তা জানান, এখন থেকে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে কোনো ধরনের মানব পাচারকারী, মাদক পাচারকারী, বিক্রেতা কিংবা মাদকসেবী আটক হলেই তাদের বাড়িতে ‘চিহ্নিতকরণ সাইনবোর্ড’ লিখে দেওয়া হচ্ছে।

আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ ধরনের অপরাধীদেরকে নিরুৎসাহিত করা ও তাদেরকে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করার পর যেনো সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে এজন্যই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিজিবি কর্মকর্তা আরো জানান, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মানব পাচারকারী, মাদক চোরাকারবারী এবং মাদক বিক্রেতাদের তালিকা করা হয়েছে। এসব তালিকা ধরে ক্রমান্বয়ে তাদের বাড়িও চিহ্নিত করা হবে।

[gs-fb-comments]