এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ : ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ ৩০

ডেস্ক।।

এসএসসির ফরম পূরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও পিরোজপুরের নাজিরপুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) :ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর আবদুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বিপাকে পড়েছে হতদরিদ্র অনেক পরিবার। জানা গেছে, ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার সরকারি ফি বিজ্ঞান বিভাগে ১ হাজার ৯৭০ টাকা এবং মানবিক বিভাগ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ হাজার ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা মানছে না উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে অভিভাবকরা বাধ্য হয়েই স্কুল কর্তৃপক্ষের ধার্য করা অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন। রতনপুর আবদুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার গিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালের এসএসসির ফরম পূরণে তিন হাজার ৪০০ টাকা ও কোচিং ফি বাবদ ৬০০ টাকা, আবার কোনো কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকাও নেওয়া হয়েছে। তাদের কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক তানজিনা আক্তার আলেয়া বলেন, আমরা দুই হাজার টাকা করে নিয়েছি, যাদের বকেয়া বেতন আছে তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছি। রসিদ না থাকার কাউকে তা দিতে পারিনি।
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) :রাজারহাটের বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসায় এসএসসি ও দাখিলের ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চায়না বাজার সরকারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়সহ অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে দুই হাজার ৩০০ থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ফি আদায় করা হচ্ছে। কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ফি আদায়ের ঘটনায় ইউএনও ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান জানান, বেতনসহ অন্যান্য পাওনা থাকার কারণে তাদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে।
নাজিরপুর (পিরোজপুর) :পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার প্রায় সবক’টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফরম পূরণের সময় বাড়তি কোনো ফি আদায় করা যাবে না সরকারি এমন নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে সংশ্নিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
নাজিরপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়ে ২ হাজার টাকার রসিদ দিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, কোচিং ফি বাবদ এ টাকা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া কমিটি যা ধার্য করে দিয়েছে আমরা তাই নিয়েছি।

[gs-fb-comments]