মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষিকা নওশিন আহমেদ দিয়া গত ৩০ অক্টোবর প্রসব বেদনা নিয়ে শহরের মুন্সেফপাড়ায় এলাকার ডা. ডিউক চৌধুরীর মালিকানাধীন খ্রিষ্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার আগাম প্রসবের ব্যবস্থা করা হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দিয়ার একটি কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগেই দিয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়ায় হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার স্বামীর বাড়িতে নেয়া হয়। পরবর্তীতে ৪ নভেম্বর ভোরে দিয়ার প্রচণ্ড মাথা ব্যথা শুরু হলে আবারও খ্রিষ্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হয়। তখন ডিউক চৌধুরী, অরুনেশ্বর পাল অভি ও মো. শাহাদাত হোসেন রাসেল ‘ভুল ইনজেকশন এবং ওষুধ’ প্রয়োগ করার পর দিয়া অজ্ঞান হয়ে পড়েন।এ সময় দিয়ার স্বজনরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ডাকতে বললে ডিউক ও বাকি দুই চিকিৎসক চুপ থাকেন। একপর্যায়ে দিয়ার মৃত্যু হলেও তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে ওই দিন দুপুর ১টার দিকে দ্রুত তাকে ঢাকা নিয়ে যেতে বলেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে দিয়াকে নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কয়েক ঘণ্টা আগেই দিয়ার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকরা।"/>

ডাঃ ডিউকসহ ৩ চিকিৎসক কারাগারে

1 January, 2020 : 2:09 pm ২৬৮

ব্রাক্ষনবাড়িয়া।।

‘ভুল চিকিৎসায়’ স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যুর অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন বাতিল করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমালোচিত চিকিৎসক ডা. ডিউক চৌধুরীসহ আরো দুই চিকিৎসককে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
জামিন নাম মঞ্জুর হওয়া অন্য দুইজন হলেন, ডিউকের মালিকানাধীন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. অরুনেশ্বর পাল অভি ও ডা. মো. শাহাদাত হোসেন রাসেলের।বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালত অধিকতর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে হাইকোর্ট থেকে নেয়া চার সপ্তাহের জামিন শেষ হওয়ার পর ১৮ ডিসেম্বর ডা. ডিউক, অভি ও রাসেল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে অবকাশকালীন বিচারক মো. হাসানুল ইসলাম ১ জানুয়ারি নিয়মিত আদালতে এ বিষয়ে অধিকতর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছিলেন।মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মোশারফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তিন আসামি হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক ১৮ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। পরে অবকাশকালীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জামিন না দিয়ে মামলার অধিকতর শুনানির জন্য আজ ১ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন। আজ অধিকতর শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত তিন আসামীর জামিন নাম মঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।উল্লেখ্য ‘ভুল চিকিৎসায়’ জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার ক্রিসেন্ট কিন্ডারগার্টেনের সহকারী শিক্ষিকা নওশিন আহমেদ দিয়ার মৃত্যুর অভিযোগে তার বাবা শিহাব আহমেদ গেন্দু ওই তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ১৩ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষিকা নওশিন আহমেদ দিয়া গত ৩০ অক্টোবর প্রসব বেদনা নিয়ে শহরের মুন্সেফপাড়ায় এলাকার ডা. ডিউক চৌধুরীর মালিকানাধীন খ্রিষ্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার আগাম প্রসবের ব্যবস্থা করা হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দিয়ার একটি কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগেই দিয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়ায় হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার স্বামীর বাড়িতে নেয়া হয়। পরবর্তীতে ৪ নভেম্বর ভোরে দিয়ার প্রচণ্ড মাথা ব্যথা শুরু হলে আবারও খ্রিষ্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হয়। তখন ডিউক চৌধুরী, অরুনেশ্বর পাল অভি ও মো. শাহাদাত হোসেন রাসেল ‘ভুল ইনজেকশন এবং ওষুধ’ প্রয়োগ করার পর দিয়া অজ্ঞান হয়ে পড়েন।এ সময় দিয়ার স্বজনরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ডাকতে বললে ডিউক ও বাকি দুই চিকিৎসক চুপ থাকেন। একপর্যায়ে দিয়ার মৃত্যু হলেও তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে ওই দিন দুপুর ১টার দিকে দ্রুত তাকে ঢাকা নিয়ে যেতে বলেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে দিয়াকে নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কয়েক ঘণ্টা আগেই দিয়ার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকরা।

[gs-fb-comments]