ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা বাহার মিয়া (৩২) নিহত হয়েছেন। সোমবার (০৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ঘাটিয়ারা পশ্চিম পাড়া হাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার ঘাটিয়ারা গ্রামের হাজী বাড়ির জাহাঙ্গীর ভূঁইয়ার সঙ্গে তার ছোটভাই বাহার ভূঁইয়ার দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ির জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার বিকেলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাহাঙ্গীরের দুই ছেলে সিফাত এবং রিফাত লাঠি নিয়ে তাদের ছোট চাচার মাথায় আঘাত করে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাহারকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান সদর মডেল থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন।"/>

ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা নিহত

7 April, 2020 : 2:54 pm ২৪৫
ব্রাক্ষনবাড়িয়া।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা বাহার মিয়া (৩২) নিহত হয়েছেন। সোমবার (০৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ঘাটিয়ারা পশ্চিম পাড়া হাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার ঘাটিয়ারা গ্রামের হাজী বাড়ির জাহাঙ্গীর ভূঁইয়ার সঙ্গে তার ছোটভাই বাহার ভূঁইয়ার দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ির জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার বিকেলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাহাঙ্গীরের দুই ছেলে সিফাত এবং রিফাত লাঠি নিয়ে তাদের ছোট চাচার মাথায় আঘাত করে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাহারকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান সদর মডেল থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন।

[gs-fb-comments]
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com