বাঞ্ছারামপুরে মৃত ব্যাক্তির নামে চাল উত্তোলন করলেন মেম্বার জলিল

20 April, 2020 : 6:43 am ২৪১

বাঞ্ছারামপুর।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার আবদুল জলিল। সম্প্রতি তার নামে ন্যায্য মূল্যের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। এমনকি মৃত ব্যক্তির নামে চাল তুলে সেই চালও মেরে খাচ্ছে বলে জানা যায়। এই ব্যাপারে ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইকারচর গ্রামের রিপন মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগম বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। জানা যায় ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার আবদুল জলিল আমেনা বেগমের নামে ন্যায্য মূল্যে চাল তুলে সেই চাল নিজেই মেরে খাচ্ছেন। আমেনা বেগমকে না জানিয়ে ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে চাল তুলছেন। জলিল মেম্বার এলাকায় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ার কারণে ভয়ে কেউ কোন কথা বলছে না। একটি সূত্র থেকে জানা যায় জলিল মেম্বারের ৩ ছেলে প্রবাসে থাকে। এর মধ্যে তার ছেলে জামান বিদেশ থাকার পরও ন্যায্য মূল্যের চাল পেয়ে যাচ্ছে। পাইকারচর গ্রামের অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল ও প্রভাবশালী ব্যক্তি লিল মিয়ার পরিবারের ৫জন এবং হাবিবউল্লার পরিবারের ৪জনের নাম দিয়ে স্বাক্ষর জাল করে চাল উত্তোলন করে আসছে জলিল মেম্বার। এখানেই শেষ নয়। কমলপুর গ্রামের আবদুর রশিদের স্ত্রী মৃত মাস্টারের নেছা ও পাইকারচর গ্রামের সুলতান মিয়ার স্ত্রী মৃত আরজুদা বেগমের নামেও চাল তুলে নিয়ে আসছেন। প্রায় ৯ বছর পূর্বে মাস্টারের নেছা ও ১ বছর পূর্বে আরজুদা বেগম মারা যায়। মৃত ব্যক্তিদের স্বাক্ষর জাল করে ন্যায্য মূল্যের চাল উত্তোলন করে খাচ্ছে জলিল মেম্বার। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষগুলো চরম বেকায়দায় পড়েছে। এই অবস্থায় সঠিক তদন্ত করে ন্যায্য মূল্যে চাল পাওয়ার দাবি করছে এলাকার নিম্ন আয়ের হতদরিদ্র মানুষগুলো। একই সাথে বিষয়টি তদন্ত করে জলিল মেম্বারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি করেন তারা। এই ব্যাপারে কথা বলার জন্য জলিল মেম্বারকে একাধিকবার ফোন করার পরও তিনি ফোন ধরেননি।

[gs-fb-comments]
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com