ত্রান নিতে এসে প্রচন্ড রোদে অপেক্ষা করতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা

28 April, 2020 : 2:21 pm ১৭৬

ব্রাক্ষনবাড়িয়া।।

প্রায় ৪ ঘন্টা প্রচন্ড রোদে মাঠে বসে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়।সকাল ৮টায় এসে সহায়তা মিললো দুপুর প্রায় ১২ টায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ত্রান নিতে এসে আজ মঙ্গলবার ভোগান্তির শিকার হয়েছেন কয়েকশ ত্রান প্রার্থী মানুষ।এই সময়ে ত্রানের লাইনে ঘুমিয়ে পড়েন বয়স্ক মানুষদের অনেকে। তার ওপর রমজান মাস হওয়ায় কষ্টের মাত্রা ছিলো বেশী। একপর্যায়ে ত্যক্ত-বিরক্ত এসব মানুষ ত্রানের আশা বাদ দিয়ে বাড়ি চলে যেতে উদ্যত হন। পরে তাদেরকে আবার বসানো হয়। পৌর এলাকার ৫৫০ জনকে ত্রান দিতে জড়ো করা হয় জেলা সদরের নিয়াজ মুহম্মদ ষ্টেডিয়ামে। ত্রান বিতরনের সময় দেয়া হয়েছিলো সকাল ১০ টায়। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রান দেয়ার এই আয়োজনে অতিথির আগমন বিলম্বতায় ত্রান প্রার্থীদের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। রোজা রেখে প্রচন্ড রোদে বসে অপেক্ষা করতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। ত্রান নিতে আসা প্রসন্ন দাস জানান- ৯ টা ৪০ মিনিটে ত্রান নিতে তিনি ষ্টেডিয়ামের গেইটে আসেন। তাকে মাঠে ডুকানো হয় ১০ টায়। আর ত্রান মিলে সোয়া ১২ টায়। প্রসন্ন জানান- ত্রানের অপেক্ষায় বয়স্ক মানুষদের অনেকে ত্রানের লাইনে ঘুমিয়ে পড়েন। প্রসন্ন্ ৯ টা ৪০ মিনিটে আসলেও ত্রাণ প্রার্থীদের অনেকে সকাল ৮ টার মধ্যে চলে আসেন ষ্টেডিয়ামের গেইটে। ত্রাণ নিতে আসা আমিন ও হোসনা জানান- তাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। অনেক কাজ ফেলে রোদে বসে থাকতে হয়েছে। দুপুর সোয়া ১২টায় জেলার ত্রান তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) তপন কান্তি ঘোষ সেখানে এসে ত্রাণ বিতরন করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সেখানে ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। মেয়র নায়ার কবির ত্রান দিতে বিলম্ব হওয়ার কথা স্বীকার করে জানান- ত্রান প্রার্থীরা সকাল ৯ টায় চলে এসেছে। আর সচিব সাহেব ঢাকা থেকে এসেছেন সাড়ে ১০ টায়। উনি আমাদেরকে নিয়ে আবার একটু মতবিনিময় করেছেন। পরিচিত হয়েছেন। উনি সেখানে যেতে যেতে সাড়ে ১১টা বেজেছে। এই জন্যে কিছু লোক উঠে গিয়েছিলো। পরে আবার তাদেরকে বসানো হয়। তিনি আরো জানান, সচিব জাষ্ট উদ্ধোধন করেছেন। পরে আমরা সবাইকে দিয়ে দিয়েছি। পৌরসভা সুত্র জানায়,বিভিন্ন শ্রেণীর সাড়ে ৫শ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। তবে অনেকেই বলছেন যারা তালিকা করে ত্রান দিয়েছেন তারাা কেবলই মুখ চিনে চিনে তালিকা করেন এছাড়া অন্য  কিছুু নয়।

[gs-fb-comments]