সরাইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত এক।। আহত শতাধিক

৮ জুলাই, ২০২০ : ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ ৩৭

ব্রাক্ষনবাড়িয়া।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত ও এক বৃদ্ধা মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নোঁয়াগাও ইউনিয়নের কাটানিশার গ্রামের বজলু গোষ্ঠী ও ওলি গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীরা জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা থেকে দশটা পর্যন্ত মিজান মেম্বার এবং অলি মেম্বারের লোকজনের সংঘর্ষ হয়েছিল। পরে বুধবার সকাল দশটায় দ্বিতীয় দফায় মিজান মেম্বারের ভাই আবদুল আমিন দুলালের সংঙ্গে অলি মেম্বারের লোকজনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অলি মেম্বারের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত হয়ে মিজান মেম্বারের লোকজনের ওপর হামলায় সংঘর্ষ বাধে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ২০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে ৩পুলিশসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়। এসময় বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ী হামলা ও ভাংচুর করা হয়। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল ও আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। বুধবার সকালে ফের উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়। নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য আকলিমা বেগম জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরেই দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে একজন মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার রাতের পর বুধবার সকালেও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে আবুল কাশেমের বৃদ্ধ স্ত্রী মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। ওই নারী মারা যাওয়ার খবরে সংঘর্ষ থেমে যায়।সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন-মোহাম্মদ নাজমুল আহমেদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

[gs-fb-comments]