ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতাদের উপর ছাত্রলীগের হামলা

16 December, 2020 : 9:06 am ৪১

ব্রাক্ষণবাড়িয়া।।

আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মতিসৌধে ফুল দেয়া নিয়ে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের সাথে হাতাহাতি ঘটনা ঘটেছে। সকাল ৯টার দিকে জেলা শহরের ফারুকী পার্কস্থ স্মৃতিসৌধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে সংগঠনের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতারা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকালে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে ভিপি নূরের সমর্থকরা স্মতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির কর্মী বলে তাদেরকে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা দেয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও তাঁর কর্মী-সমর্থকরা। পরে ৪/৫ জন নেতাকর্মী ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেয়। এসময় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সাথে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতহাতির ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় স্মৃতিসৌধ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের হাত থেকে ছিনিয়ে নেয়া জাতীয় পতাকা স্মৃতিসৌধের সামনের সড়কে মিছিল করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়া বলেন, ‘আমরা আনুমানিক ৩০/৪০ জন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। ছাত্রলীগ নেতারা আমাদের বাধা দিয়ে বলেন- ৪-৫ জনকে নিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে। আমরা তাদের কথামতো ৪-৫ জন নিয়ে ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ অভ্যন্তর থেকে বের হয়ে যাই। পরবর্তীতে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। এতে আমাদের জেলা কমিটির সভাপতি আশরাফুল হাসানসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আমাদের সঙ্গে কোনো শিবিরকর্মী ছিলনা। কয়েকজন মাদরাসাছাত্র ছিলেন’।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের সাথে আমাদের কোনো হাতাহাতি বা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।প্রতি সংগঠন থেকে সর্বোচ্চ ১০ জন স্মৃতিসৌধে আসার নির্দেশনা থাকলেও তারা কোন রকম স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সরকারের নির্দেশনা না মেনে ফুল দিতে আসছিল।এ ছাড়া তারা শিবিকর্মীদের নিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসেছিল। এ সময় তারা স্মৃতিসৌধে উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে পরিবেশ নষ্ট করে। পরে সাধারন ছাত্ররা তদেরকে (শিবিরকর্মী) বিতাড়িত করে দেয়। পরবর্তীতে আমরা স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছি’।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন্স) ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘স্মৃতিসৌধের অভ্যন্তরে কিছু হয়নি। বাইরে কিছু হয়েছে কিনা সেটি বলতে পারবনা

[gs-fb-comments]