ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল একজন প্রতিবন্ধী টিউমার অপারেশন করে নজীর স্থাপন করল

2 February, 2021 : 10:46 am ১৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া।।

হাত পা সবখানে বিকলাঙ্গ চার বছর যাবত সমস্যা, একবছর যাবত ব্লিডিং থামছেইনা।অনেক বার রক্ত দিতে হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গাইনোকোলজিস্ট ঢাকা রেফার করেছেন। স্বামী পরিত্যক্ত আসমার অসুস্থ মা-ই একমাত্র ভরসা।ডাক্তার আবু সাঈদ এর হাসপাতালে নিরাশ করবেনা, সেই আশায় বুকবেধে ৩০ তারিখ ব্রাহ্মণ বাড়িয়া মেডিকেলে ডাক্তার রণজিৎ এর অধীনে ভর্তি হয়। ডাঃ মমতাজ রুগী চেক আপ করে অজ্ঞান করাতে রাজি হন।ডাঃ রণজিৎ আগের দিনই সকল আই এম ও এবং ইন্টার্ন ডাক্তারদের এলার্ট করেন। কালকে সকলের উপস্থিতিতে ডাঃ নাসিমা কে নিয়ে অপারেশন শুরু। ডাঃনাসিমা ভাবতে ছিলেন কি জানি ভাগ্যে কি আছে। ভাগ্য সহায়।স্যারের দৃরতায় অনেক দক্ষতায় প্রায় এক কেজি ওজনের টিউমারটি আনতে সক্ষম হন। প্রতিবন্ধী আসমা বারবার বলতে ছিলো স্যার আমাকে বাঁচাতে পারবেনতো,আমার কেউ নেই।এখন আসমা সম্পুর্ন সুস্থ্য,নতুন করে বাচার স্বপ্ন দেখছে। রক্তশুন্যতার কারন জরায়ুতে টিউমার, মাসিকে প্রচুর ব্লিডিং ও জন্মগত ত্রুটি ( বামনত্ব- Dowerphism)। সারা শরীরে ডিফরমিটি- চেস্ট, কোমর ও হাত পা বিকলাঙ্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ এমনি একজন অসহায় জন্ম প্রতিবন্ধী মহিলার টিউমার অপারেশন করে অনন্য নজীর স্থাপন করলো। এদিকে এমনি করে পাশের বেডে শুয়ে আছেন মিসেস রাহেলা নয় মাসের গর্ভবতী সহ ব্লিডিং নিয়ে আসছিলেন, জরায়ুর ফুল নীচে থাকার কারনে – অপারেশনের পরে মা বাচ্চা উভয়েই ভালো আছেন।অন্য আরেক বেডে মিসেস পারুল একলামসিয়া ও বারবার খিচুনি নিয়ে আসছিলেন, অপারেশনের পরে উনিও এখন সুস্থ্য আছেন বলে তার স্বজনরা জানায়।

[gs-fb-comments]