সভায় বক্তাগণ বলেন, বিদ্যাদেবী স্মরস্বতী পূজা শুরুর প্রাক্কালে ঢাকার নবাবগঞ্জের শাল্লা বটতলা মন্দিরে, যশোরের সরকারী মাইকেল মধুসুদন মহাবদ্যিালয়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলায়, কিশোরগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রামসহ সারাদেশে ব্যাপকভাবে স্মরস্বতী প্রতিমা ভাংচুর হয়েছে। কোথাও কোথাও পুজা মন্ডলও ভাংচুর করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশ পুজা মন্ডপে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ভাড়া না দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম মালিক সমিতিকে। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় স্মরস্বতী পুজাতে হিন্দু ছাত্র-ছাত্রীদের ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। হাতে নাতে ধৃত আসামীদের পাগল ও মানসিক রোগী বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হিন্দু দেবদেবী ও ধর্মকে কটাক্ষ করে শর্টফিল্ট টিকটক ইত্যাদি তৈরী করে জনমনে হিন্দু সমাজ ও ধর্ম বিরোধী মানসিকতা তৈরী হচ্ছে। প্রশাসনকে জানানো হলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে প্রশাসনের প্রতি হিন্দু সম্প্রদায় আস্থা হারাচ্ছে। বক্তাগণ বলেন, সারাদেশেই একশ্রেণীর উগ্রপন্থী ব্যাপকভাবে হিন্দু ও প্রতিমা পুজার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্প এতটা প্রকট হয়ে উঠেছে যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস ক্রমেই কর্ঠিন হচ্ছে। জমিদখল, কিশোরী অপহরণ, মন্দির ও প্রতীমা ভাংচুর এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বক্তাগণ আরো বলেন, প্রতিমা ভাংচুর ও মন্দিরে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করে শাস্তি বিধান করতে হবে। অন্যথায় সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশসহ ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।"/>

সরস্বতী প্রতিমা ভাংচুর ও অবমাননা কারীদের গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার এর দাবীতে হিন্দু ছাত্র মহাজোট এর মানববন্ধন

19 February, 2021 : 4:38 pm ২২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:-

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাজোটের এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সাজেন কৃষ্ণ বল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হিন্দু মহাজোটের সভাপতি বিধান বিহারী গোস্বামী, সিনিয়র সহ সভাপতি প্রদীপ কুমার পাল, মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক, যুগ্ম মহাসচিব এড. লাকি বাছার, যুগ্ম সম্পাদক ডা. রণজিত দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. প্রতিভা বাকচী, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. সরল কুমার রায়, অ্যাড. প্রসেঞ্জিত সরকার, নরেশ হালদার, হিন্দু মহাজোট ঢাকা মহানগরের নির্বাহী সভাপতি অখিল বিশ^াস, সহ সভাপতি মহাদেব আগরওয়াল, তাপস বৈরাগী, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ঘোষ, হিন্দু স্বেচ্ছাসেবক মহাজোটের সভাপতি অ্যাড. গৌরাঙ্গ মন্ডল, দপ্তর সম্পাদক চয়ন বাড়ৈ, হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক সজীব কুন্ডু, মৌসুমী রায়, শুভ মন্ডল, বাধন ভৌমিক, বিশ^জিৎ ঘটক, রণি রাজবংশী, মলয় কুমার রাহুল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তাগণ বলেন, বিদ্যাদেবী স্মরস্বতী পূজা শুরুর প্রাক্কালে ঢাকার নবাবগঞ্জের শাল্লা বটতলা মন্দিরে, যশোরের সরকারী মাইকেল মধুসুদন মহাবদ্যিালয়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলায়, কিশোরগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রামসহ সারাদেশে ব্যাপকভাবে স্মরস্বতী প্রতিমা ভাংচুর হয়েছে। কোথাও কোথাও পুজা মন্ডলও ভাংচুর করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশ পুজা মন্ডপে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ভাড়া না দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম মালিক সমিতিকে। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় স্মরস্বতী পুজাতে হিন্দু ছাত্র-ছাত্রীদের ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। হাতে নাতে ধৃত আসামীদের পাগল ও মানসিক রোগী বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হিন্দু দেবদেবী ও ধর্মকে কটাক্ষ করে শর্টফিল্ট টিকটক ইত্যাদি তৈরী করে জনমনে হিন্দু সমাজ ও ধর্ম বিরোধী মানসিকতা তৈরী হচ্ছে। প্রশাসনকে জানানো হলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে প্রশাসনের প্রতি হিন্দু সম্প্রদায় আস্থা হারাচ্ছে।

বক্তাগণ বলেন, সারাদেশেই একশ্রেণীর উগ্রপন্থী ব্যাপকভাবে হিন্দু ও প্রতিমা পুজার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্প এতটা প্রকট হয়ে উঠেছে যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস ক্রমেই কর্ঠিন হচ্ছে। জমিদখল, কিশোরী অপহরণ, মন্দির ও প্রতীমা ভাংচুর এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বক্তাগণ আরো বলেন, প্রতিমা ভাংচুর ও মন্দিরে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করে শাস্তি বিধান করতে হবে। অন্যথায় সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশসহ ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

[gs-fb-comments]