আমরা সময়ের কথা সময়ে বলি।

Advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৫ দিনেও শেষ হয়নি পাঁচ কর্মদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন

বিশেষ প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সারাদেশ 20 April 2022 ২৫৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিজার অপারেশনের সময় শিশুর হাত ভেঙে ফেলার অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে। সিভিল সার্জন অফিস থেকে গত ১৫ মার্চ এ ঘটনায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছিল পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার। কিন্তু ৩৫ দিন পেড়িয়ে গেলেও প্রতিবেদন দাখিল করেনি কমিটি। সিভিল সার্জন অফিসে দেওয়া অভিযোগ ও শিশু পরিবার সূত্র জানায়, ৭ মার্চ সদর উপজেলার সুহিলপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী সাদ্দাম মিয়ার স্ত্রী সাবিনা ইয়াছমিনের প্রসব ব্যথা উঠলে শহরের কুমারশীল মোড়ের গ্রীণ ভিউ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা। এরপর রাতে হাসপাতালে গাইনি চিকিৎসক তাসনুভা সাঈদ তাকে সিজার অপারেশন করলে সাবিনা একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন।নবজাতককে স্বজনদের কাছে দেওয়া হলে তার বাম হাত ভাঙা দেখতে পান। বিষয়টি চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা কোনো কর্ণপাত করেননি। পরে শিশুর মামা মোস্তাকুল ইসলাম গত ১৩ মার্চ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে সেখান থেকে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।এতে বলা হয় পাঁচ কর্মদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে। গত ২০ মার্চ থেকে তদন্ত কমিটি তাদের কাজ শুরু করে। কিন্তু সিভিল সার্জন অফিসের আদেশের ৩৫ দিন অতিবাহিত হলেও প্রতিবেদন দাখিল করেনি।ওই শিশুর মামা মোস্তাকুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ডেকে আমাদের বক্তব্যও নিয়েছেন। আমরা এর বিচার চাই।তদন্ত কমিটির প্রধান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ডা. আকতার হোসেন বলেন, তদন্ত কমিটির সদস্য সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যস্ততার কারণে প্রতিবেদন তৈরি করতে পারছি না। শিগগির প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ বলেন, শিশুর হাত ভাঙার ঘটনায় তদন্ত কমিটি এখনো প্রতিবেদন দাখিল করেনি। তারা অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদনও করেননি। তিনদিন দেশব্যাপী টিকা প্রদান কার্যক্রম থাকায় অনেকেই ব্যস্ত ছিলেন তাই হয়তো দিতে পারেননি।