d4e4a0890e2a150aa95641e4bbc28ace-25আমাদের কথা ডেস্ক : মাগুরায় ছাত্রলীগের গোলাগুলিতে মায়ের জঠরে শিশু গুলিবিদ্ধ ও একজন বৃদ্ধ নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলার দুই নম্বর আসামি মুহম্মদ আলী (৩৫) আটক হয়েছেন বলে দাবি করেছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও তাঁর পরিবার। আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এসে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে মুহম্মদ আলী আটক হন বলে দাবি তাঁদের। তবে মুহম্মদ আলীকে ধরার বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে বলছে পুলিশ। এ মামলার আরেক আসামি মো. সোলাইমানকে (২৯) ঢাকা থেকে র‌্যাব আটক করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মামলার ৩ নম্বর আসামি মেহেদি হাসান ওরফে আজিবরকে গত ১৭ আগস্ট বিকেলে মাগুরার শালিখা উপজেলার সীমাখালী বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সে সময়ও পুলিশ গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে। পরে ওই দিন গভীর রাতে আজিবর পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, গতকাল বুধবার সকাল পৌনে ১০টায় মাগুরার জেলা জজ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে থেকে মুহম্মদ আলীকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ওই সময় তাঁর মাথায় হেলমেট পরা ছিল। গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে ধরে টেনেহিঁচড়ে একটি অটোরিকশায় তোলে। তারপর অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। মুহম্মদ আলীর স্ত্রী রিনা খাতুনের ভাষ্য, তাঁর স্বামী আত্মসমর্পণের জন্য আদালতে গিয়েছিলেন। ডিবি পুলিশ তাঁকে আত্মসমর্পণের সুযোগ না দিয়ে টেনেহিঁচড়ে অটোরিকশায় তুলে নেয়। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ মিলছে না। জানতে চাইলে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক বলেন, আলীকে ধরার বিষয়ে কিছু জানেন না তাঁরা। মুহম্মদ আলীকে ধরার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি সহকারী পুলিশ সুপার সুদর্শন রায়ও। তবে গত সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে র‌্যাব ওই মামলার আসামি সোলাইমানকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। মাগুরার দোয়ারপাড় কারিগরপাড়ায় গত ২৩ জুলাই বিকেলে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নাজমা খাতুন (৩৫)। ওই দিন রাতে মাগুরা সদর হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি গুলিবিদ্ধ কন্যাশিশু জন্ম দেন। গুলি পেটের শিশুটিকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে ফেলে। পরে প্রায় এক মাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে মা ও শিশু মাগুরায় ফিরে যান। সংঘর্ষের সময় গুলি ও বোমার আঘাতে আহত হন নাজমার চাচাশ্বশুর মমিন ভূঁইয়া (৬৫)। পরে তিনি মারা যান। মমিন ভূঁইয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাকি ইমামের চাচা। ওই ঘটনায় গত ২৬ জুলাই মমিন ভূঁইয়ার ছেলে রুবেল ভূঁইয়া জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সেন সুমনকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী-সমর্থক। চাঞ্চল্যকর মামলাটি ডিবি তদন্ত করছে। সর্বশেষ দুজনকে ধরার আগ পর্যন্ত মামলার নয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন মো. সোবহান. মো. সুমন, নজরুল ইসলাম, মো. সাগর হোসেন, মো. বাপ্পী, ফরিদ হোসেন, মো. লিটন, মো. মিল্টন ও সেন সুমন। আরেক আসামি আজিবর শেখ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছেন। ভালো আছে সুরাইয়া: মায়ের পেটে গুলিবিদ্ধ হওয়া সুরাইয়া এখন ভালো আছে। তবে মা নাজমা খাতুন এখনো কিছুটা অসুস্থ। গতকাল তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আল্লাহর রহমত আর আপনাদের সহযোগিতায় আমার বাবুটা ভালো আছে। তবে আমার পেটে একটু ব্যথা করে।’ প্রথম আলো"/>
Fatal error: Uncaught Error: Call to undefined function get_youtube_thumb() in /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-content/themes/amaderkatha/functions.php:41 Stack trace: #0 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-includes/class-wp-hook.php(287): og_meta_tags('') #1 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-includes/class-wp-hook.php(311): WP_Hook->apply_filters(NULL, Array) #2 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-includes/plugin.php(478): WP_Hook->do_action(Array) #3 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-includes/general-template.php(3009): do_action('wp_head') #4 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-content/themes/amaderkatha/header.php(7): wp_head() #5 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-includes/template.php(730): require_once('/home/designgh/...') #6 /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-includes/template.php(676): load_template('/home/designgh/...', true, Array) #7 /home/designgh/domains/a in /home/designgh/domains/amaderkatha.com/public_html/wp-content/themes/amaderkatha/functions.php on line 41