বিশেষ সংবাদদাতা// ফরম পূরণে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৩৭ জন। তবে এসব শিক্ষার্থীর নিকট সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত গ্রহণের প্রমাণ পেয়েছে দুদক টিম। অতিরিক্ত আদায়কৃত এই অর্থ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার, সহকারী প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসরীন নাহারের যৌথ নামে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে (যাত্রাবাড়ী শাখা) গচ্ছিত রাখা হয়। দুদক টিমের অভিযানের মুখে স্কুল কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেছে যে, বেআইনিভাবে আদায়কৃত ২৫ লাখ টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেবে। আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দুদকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিকট এসব অর্থ ফেরত করা হবে মর্মে অঙ্গীকার করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বেআইনিভাবে অর্থ আদায় করে তা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রাখা হচ্ছে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হচ্ছে — দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট ইউনিট এ অভিযান চালায়। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে উপসহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম ও পুলিশসহ ছয় সদস্যের একটি টিম অভিযানে অংশ নেন। এ অভিযান পরিচালনা প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, দুদক জনগণকে তাৎক্ষণিক সুফল দিতে চায়। এ লক্ষে অভিযান চালাচ্ছে দুদক। দায়ী শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও দুদক ব্যবস্থা নেবে।"/>

আইডিয়ালে শিক্ষার্থীদের ২৫ লাখ টাকা তিন শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে

20 November, 2018 : 11:30 am ২৩১

বিশেষ সংবাদদাতা//

ফরম পূরণে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৩৭ জন। তবে এসব শিক্ষার্থীর নিকট সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত গ্রহণের প্রমাণ পেয়েছে দুদক টিম।

অতিরিক্ত আদায়কৃত এই অর্থ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার, সহকারী প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসরীন নাহারের যৌথ নামে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে (যাত্রাবাড়ী শাখা) গচ্ছিত রাখা হয়।

দুদক টিমের অভিযানের মুখে স্কুল কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেছে যে, বেআইনিভাবে আদায়কৃত ২৫ লাখ টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেবে। আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দুদকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিকট এসব অর্থ ফেরত করা হবে মর্মে অঙ্গীকার করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

বেআইনিভাবে অর্থ আদায় করে তা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রাখা হচ্ছে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হচ্ছে — দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এই অভিযান পরিচালিত হয়।

দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট ইউনিট এ অভিযান চালায়। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে উপসহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম ও পুলিশসহ ছয় সদস্যের একটি টিম অভিযানে অংশ নেন।

এ অভিযান পরিচালনা প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, দুদক জনগণকে তাৎক্ষণিক সুফল দিতে চায়। এ লক্ষে অভিযান চালাচ্ছে দুদক। দায়ী শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও দুদক ব্যবস্থা নেবে।

[gs-fb-comments]
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com